Nabanna: ‘মাসে অন্তত একবার দিল্লি যান’, কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে সচিবদের কড়া নির্দেশ নবান্নের

Nabanna
Nabanna

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  পালাবদলের পর রাজ্যে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে উদ্যোগী হয়েছে নবান্ন। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির অগ্রগতি খতিয়ে দেখা এবং কাজের পথে থাকা প্রশাসনিক জটিলতা কাটাতে এবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সচিবদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হল। নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি দপ্তরের সচিবকে মাসে অন্তত একবার দিল্লি যেতে হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করে প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। রাজ্যে চলমান কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির অগ্রগতির রিপোর্ট নিয়ে প্রয়োজনে দিল্লিতে গিয়ে তার তদারকিও করতে হবে সচিবদের। লাল ফিতের জট কাটিয়ে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। 

কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ এবং প্রযুক্তিগত ছাড়পত্রের মতো বিষয়গুলিতে দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তার জেরে একাধিক প্রকল্পের কাজ আটকে থাকছে বলে প্রশাসনিক মহলের একাংশের মত। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, আগে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ না এগোনোর জন্য কেন্দ্রের অসহযোগিতার অভিযোগ উঠত। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্প হোক বা কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও বিষয়, সব ক্ষেত্রেই কেন্দ্র ও রাজ্যকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু চিঠি বা ই-মেল পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধান করতে হবে। 

নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত দপ্তরের সচিবদের দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। কোন প্রকল্পে কী সমস্যা রয়েছে, কোথায় অনুমোদন আটকে আছে, অর্থ বরাদ্দ বা প্রযুক্তিগত ছাড়পত্র পেতে কী বাধা তৈরি হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। প্রশাসনিক মহলের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রকল্পগুলির কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠানোর পর আর কোনও পদক্ষেপ না করে বসে থাকলে চলবে না। প্রকল্পের কাজ শেষ করা এবং তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিতে হবে। 

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…