Breaking News
 
CM Suvendu Adhikari: নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি করা যাবে না, ইন্দ্রনীল-কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর! গাইলেন ‘আমার যাওয়ার সময় হলো’ Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে DA hike news 2026 July: উৎসবের আগেই উপহার কেন্দ্রের! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি ঘিরে স্বস্তি

 

CM Suvendu Adhikari: নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি করা যাবে না, ইন্দ্রনীল-কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর! গাইলেন ‘আমার যাওয়ার সময় হলো’

CM Suvendu Adhikari
CM Suvendu Adhikari

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  শিক্ষকদের সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এবার থেকে নতুন করে নিযুক্ত শিক্ষকরা অন্যান্য রাজ্যের মতো প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন না। অর্থাৎ, পঞ্চায়েত বা পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া কিংবা অন্য কোনও নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে তাঁদের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমাদের সময়ে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে যে শিক্ষক নিয়োগ হবেন, তাঁরা সরাসরি রাজনীতি করতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশী কোনও রাজ্যে শিক্ষকরা সরাসরি রাজনীতি করেন না।’  

এতদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এমন নিয়ম ছিল না। শিক্ষক হিসেবে কর্তব্যরত কেউ চাইলেই সক্রিয় রাজনীতি করতে পারতেন। তাঁরা কোনও নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে পারতেন। এই বছরেই হওয়া বিধানসভা নির্বাচনেও এমন বেশ কয়েকজন শিক্ষক প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে রাজ্য ক্যাবিনেটে নতুন যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, তাতে এখন থেকে যাঁরা নিয়োগ হবেন তাঁরা আর প্রত্যক্ষ ভাবে সক্রিয় রাজনীতি বা ভোট-রাজনীতি করতে পারবেন না। রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগেও ছিল। সেই স্কুলের শিক্ষকরা রাজনীতির মঞ্চে যেতে পারতেন না। কোনও ভোটে দাঁড়াতে পারতেন না। কিন্তু সরকার-পোষিত বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ছিল না। ক্যাবিনেট মিটিংয়ে এ বার সেই নিয়ম আনা হলো।

শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, ‘গভর্নমেন্ট স্পন্সর্ড অথবা এডেড স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীদের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। শিক্ষক-শিক্ষা কর্মীরা যাতে ভবিষ্যতে প্রতিবাদ করতে না পারেন তার জন্যই কি এই ব্যবস্থা? কোনও দলীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থেকেও শিক্ষা অথবা পেশাগত বিষয় নিয়ে দাবি-দাওয়া তুলে ধরাও রাজনীতি হিসেবে গণ্য হবে না তো?’

ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি এবং টাকা আদায়ের অভিযোগে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেপ্তার করেছে লালবাজার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা ও ইন্দ্রনীলকে একে অপরের পরিপূরক বলে কটাক্ষ করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘ঠিক সময়ে বড় জায়গায় হাত পড়বে।’ তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন করে চর্চা। ইন্দ্রনীল মমতার কতটা কাছের ছিলেন, তা বোঝাতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ, ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে জায়গা পেতেন উনি (ইন্দ্রনীল)। অনেক বড় বড় মন্ত্রী জায়গা পেতেন না উনি।’ বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে মমতা-ইন্দ্রনীলের একসঙ্গে গলা মেলানোর কথাও স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ সব নিয়ে কটাক্ষ করতে করতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওঁরা তো ডুয়েট গাইতেন।’ এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী গাইতে শুরু করেন, ‘আমার যাওয়ার সময় হলো...।’

ইন্দ্রনীলের গ্রেপ্তারিতে সরাসরি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে টেনে শুভেন্দু বলেন, ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রত‍্যক্ষ মদত থাকতে পারে। একই গাড়িতে ঘুরতেন। ভাগও পেতে পারেন। সিঙ্গুরে খামারবাড়ি রয়েছে, স্ত্রীর নামে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা আছে। শিল্পীদের থেকে থেকেও টাকা তুলেছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক চোরেদের জেলে যেতে হবে।’

ইন্দ্রনীলকে এ দিন গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসা হয় লালবাজারে। পুজোর সময়ে ইউনেস্কোর নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে সেই টাকা নিজের আত্মীয়দের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে তোলা হয়েছে বলেও পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে বলে খবর। তদন্তকারীদের দাবি, বিভিন্ন মিউল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল ওই টাকা তোলার জন্য। খোলা হয়েছিল শেল কোম্পানি। গত জুন মাসে এ নিয়ে বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের হয় সস্ত্রীক ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। সেই মামলারই তদন্ত করছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…