Samik Bhattacharya | গাইঘাটা কাণ্ডে শাসক-বিরোধী সংঘাত তুঙ্গে, আইনের শাসন নিয়ে তৃণমূলকে খোঁচা শমীকের

Samik Bhattacharya
Samik Bhattacharya

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় নাবালিকা ধ*র্ষ*ণ ও খু*নে*র মামলায় অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের পুলিশি গুলিতে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে চাপানউতোর। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে অভিযুক্ত পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ, তাতেই মৃত্যু হয় প্রহ্লাদের। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের আবহে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, “শাসকের আইন নয়, বাংলায় এখন আইনের শাসন চলছে।” পাশাপাশি, তৃণমূলের জমানায় একাধিকবার পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন তিনি। 

গত রবিবার গাইঘাটায় এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দে*হ*দ্ধা*র হয়েছিল। প্রতিবেশীর বাড়ির অদূরে ওই দেহ মেলায় আতঙ্ক ছড়ায়। ধ*র্ষ*ণে*র পর তাকে খু*ন করা হয়েছে বলে মৃতের পরিবারের তরফে দাবি করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল রাতে পুলিশ ধৃতকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য গিয়েছিল। সেখানেই পালানোর চেষ্টা করেছিল অভিযুক্ত! তদন্তকারীদের দাবি, ফেরার পথে বন্দুক ছিনিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গু*লি চালায় প্রহ্লাদ। আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায় পুলিশও। তাতেই মৃত্যু হয় অভিযুক্তের।

এদিন শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, “কোন পরিস্থিতিতে পুলিশকে গুলি চালাতে হয়? আমাদের রাজ্যে কতবার পুলিশকে গুলি চালাতে হয়েছে? আমরা দেখেছি, যখন ওয়াকফ নিয়ে আন্দোলন চলছিল পুলিশ হাতজোড় করে প্রাণভিক্ষা চেয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে, দোকানদারদের কাছে বলেছে শাটার তুলুন, দরজা খুলুন আমরা প্রাণে বাঁচতে চাই। পুলিশ যদি বারবার আক্রান্ত হয়, তাদের সামনে কোন পথ খোলা আছে?” তৃণমূলকে আক্রমণ করে শমীকের বক্তব্য, “প্রশাসনের রাজনীতিকরণের কতটা কদর্য রূপ হতে পারে, সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দেখিয়ে দিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বিজেপি জয়ী মহিলা প্রার্থীদের রাত দেড়টা পর্যন্ত গণনাকেন্দ্রে বসিয়ে রেখে, সার্টিফিকেট পালটে দিয়ে তাঁদের পরাজিত ঘোষণা করে দেওয়া, যা প্রার্থী নিজেই জানেন না।”

শমীকের আরও প্রশ্ন, “গত ১৫ বছরে কত সাংবাদিক রক্তাক্ত হয়েছেন? কত সাংবাদিকদের হাত-পা ভাঙা হয়েছে? কত অভিযোগকারী, অভিযোগকারিনী নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে, যাদের কোনও খোঁজ নেই। কতজনের রহস্যমৃত্যু হয়েছে? আইনের শাসনের শিক্ষা তৃণমূল কংগ্রেসের শেখানোর প্রয়োজন নেই।”

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…