Breaking News
 
Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে DA hike news 2026 July: উৎসবের আগেই উপহার কেন্দ্রের! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি ঘিরে স্বস্তি Sumit Roy: ফের আইনি জটিলতায় অভিষেকের প্রাক্তন পিএ! সুমিতের বিরুদ্ধে শোন অ্যারেস্টের পথে পুলিশ

 

Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে

Indranil Sen
Indranil Sen

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  একদিকে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ, অন্যদিকে বাইরে অপেক্ষায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ ও বিধাননগর কমিশনারেটের আধিকারিকেরা। দুই দিকের তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতায় চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। ইডির সমন পেয়ে বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। কিন্তু একই সময়ে বাইরে কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশের আধিকারিকদের অপেক্ষার কারণ কী, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। তাহলে কি আজই আটক হতে পারেন প্রাক্তন মন্ত্রী? যদিও এ বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। উল্লেখযোগ্য, ইন্দ্রনীল সেনের কাছে আপাতত কোনও আইনি রক্ষাকবচ নেই বলেই জানা যাচ্ছে। 

পুজোর পাস বিক্রিতে দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তনমন্ত্রী ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বউবাজার থানায় ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে ‘মাস আর্ট’ নামক একটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো ও ভিআইপি পাস বিক্রি ও কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্ত করছে লালবাজারে গোয়েন্দা শাখা। অন্যদিকে, পাস বিক্রি ঘিরে কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের অধীনে মামলা কর  তদন্ত শুরু করেছে ইডি। সেই মামলায় বেশ কয়েকবার ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছেন তিনি। আজ, বুধবার ফের তাঁকে ডাকা হয় সিজিও কমপ্লেক্সে। হাজিরাও দিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। 

মন্ত্রী হাজিরা দেওয়ার পরই সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন হতে থাকে। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা বাইরে অপেক্ষা করছেন। প্রশ্ন, তাহলে সিজিও থেকে বেরিয়ে আসার পরই কি ইন্দ্রনীলকে আটক বা গ্রেপ্তার করবে পুলিশ? বলে রাখা ভালো প্রাক্তনমন্ত্রীর কাছে কোনও রক্ষাকবচ নেই। হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচ চাইলে তা খারিজ হয়ে গিয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০২২ থেকে ২০২৪। এই তিন বছরে এক লাখেরও উপর প্রিভিউ কার্ড বিক্রি করেছিল প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের সংস্থা। বিক্রি বেড়েছিল দ্বিগুণ। এছাড়াও ডোনার কার্ড বিক্রি হয়েছিল বিপুল টাকায়। ওই বিপুল ৬০ কোটি টাকার অংশ কি আদৌ কোনও পুজো কমিটির অ‌্যাকাউন্টে গিয়েছিল, সেই তথ‌্য ইডি ইন্দ্রনীলকে জেরা করেছে আগেই। তাঁর হুগলির বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মহালয়ার পর থেকে কয়েকদিন ধরে কলকাতার ২৪টি পুজো মণ্ডপে ঘুরে পুজো প্রিভিউ করার জন‌্য পাস দেওয়া হত। পাসের দাম ছিল ১ হাজার ৭৪৯ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার ৪৯৯ টাকা। ২০২২ সালে ১৯ হাজার, ২০২৩ সালে ৩৪ হাজার পাস বিক্রি  হয়। প্রথম থেকে ইন্দ্রনীল নিজের প্রভাব খাটিয়ে ও নিজের সংস্থাকে ইউনেস্কোর অংশীদার বলে দাবি করে এমনভাবে প্রচার করেন যে, ২০২৪ সালে বিক্রি হওয়া পাসের সংখ‌্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬১ হাজার। ২০২৫ সালে শিল্পী ও পুজো উদ্যোক্তাদের সাহায‌্য করার নামে ডোনার পাস দেওয়া হয়। সিলভার, গোল্ডেন ও প্লাটিনাম পাস দেওয়া হয়, যেগুলির দাম ছিল দেড় হাজার থেকে চার হাজার টাকা। সব রকমের পাসের জন‌্য রেট চার্ট করে দেওয়া হয়েছিল। পাস কেনার সময় ইউপিআই বা অনলাইনে টাকা পাঠাতে হত। তার বদলে ক্রেতাদের কিউআর কোড পাঠানো হত, সেগুলি স্ক‌্যান করে প্রবেশ করা যেত মণ্ডপগুলিতে। মণ্ডপ ছাড়াও বনেদি বাড়ির পুজো বা আলিপুর মিউজিয়ামের জন‌্য আলাদা পাস বিক্রি করা হয়। ওই বিপুল টাকা ইউপিআই থেকে প্রথমে একটি ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্টে যায়। সেখান থেকে একাধিক অ‌্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে ইডি ও লালবাজারে তদন্ত শুরু করেছে।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…