Breaking News
 
Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে DA hike news 2026 July: উৎসবের আগেই উপহার কেন্দ্রের! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি ঘিরে স্বস্তি Sumit Roy: ফের আইনি জটিলতায় অভিষেকের প্রাক্তন পিএ! সুমিতের বিরুদ্ধে শোন অ্যারেস্টের পথে পুলিশ

 

Chhath Puja 2026: চার দিন ধরে সূর্যদেবের আরাধনা! ঝাড়খণ্ডে ছট পুজো ঘিরে সাজোসাজো রব

Chhath Puja Celebrations at Jharkhand
Chhath Puja Celebrations at Jharkhand

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ঝাড়খণ্ডে ছট পুজো মানেই চার দিন ধরে ভক্তি, নিষ্ঠা ও উৎসবের আবহ। সূর্যদেব এবং ছঠী মাইয়ের আরাধনায় মেতে ওঠেন রাজ্যের অসংখ্য মানুষ। রাঁচি-সহ বিভিন্ন এলাকার নদীঘাট ও জলাশয় সেজে ওঠে পুজোর প্রস্তুতিতে। ঘাট পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা—সব দিকেই থাকে বিশেষ নজর। পরিবারের মঙ্গল, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনায় ব্রত পালন করেন ভক্তরা। লোকাচার, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে ছট পুজো ঝাড়খণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হিসেবে বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। 

ঝাড়খণ্ডে ছট পুজোর প্রধান প্রস্তুতি ও আচার:

• ঘাট পরিষ্কার ও আলোসজ্জা: রাঁচির বিভিন্ন ঘাটে প্রতিদিন ৫০ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটে। নদীঘাট ও পুকুরগুলো পরিষ্কার করে হাজার হাজার প্রদীপ ও আলো দিয়ে সাজানো হয়।

• প্রথম দিন (নহায়-খায়): ঘরবাড়ি ও রান্নাঘর পরিচ্ছন্ন করা হয়। পুণ্যার্থীরা নদী বা জলাশয়ে পবিত্র স্নান সেরে সাত্ত্বিক খাবার (যেমন—কড্ডু ভাত ও মসুর ডাল) গ্রহণ করেন।

• দ্বিতীয় দিন (খরনা): সারাদিন উপবাস রাখার পর সন্ধ্যায় গুড়ের খির, রুটি ও ফল দিয়ে সূর্য দেবতাকে ভোগ নিবেদন করা হয়। এরপর ব্রতীরা ৩৬ ঘণ্টার নির্জলা (জল ছাড়া) উপবাস শুরু করেন।

• তৃতীয় দিন (সন্ধ্যা অর্ঘ্য): বাঁশের তৈরি ডালা বা সুরীয়ায় ঠেকুয়া, ফল, ডাবের জল ও নানা সামগ্রী সাজিয়ে নদীর ঘাটে যাওয়া হয়। অস্তগামী সূর্যকে প্রথম অর্ঘ্য দেওয়া হয়। ঘাটে ঐতিহ্যবাহী লোকগীতি ও ভক্তির পরিবেশ তৈরি হয়।

• চতুর্থ দিন (উষা অর্ঘ্য): উদয়গামী সূর্যকে অর্ঘ্য প্রদানের মধ্য দিয়ে চারদিনের এই ব্রত বা উৎসব সমাপ্ত হয় এবং পুণ্যার্থীরা পারণ করে উপবাস ভঙ্গ করেন। 

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…