Breaking News
 
Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে DA hike news 2026 July: উৎসবের আগেই উপহার কেন্দ্রের! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি ঘিরে স্বস্তি Sumit Roy: ফের আইনি জটিলতায় অভিষেকের প্রাক্তন পিএ! সুমিতের বিরুদ্ধে শোন অ্যারেস্টের পথে পুলিশ

 

Ayodhya Deepotsav 2026: অযোধ্যার দীপোৎসব ২০২৬— সরযূর তীরে লক্ষ প্রদীপের আলোয় সাজবে রামনগরী

Ayodhya Deepotsav 2026
Ayodhya Deepotsav 2026

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। আর সেই উৎসব যদি অযোধ্যার সরযূ নদীর তীরে উদযাপিত হয়, তবে তার আকর্ষণ যেন আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। রামচন্দ্র, সীতা ও লক্ষ্মণের ১৪ বছরের বনবাস শেষে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তনের স্মৃতিকে ঘিরেই এই দীপোৎসবের আয়োজন। প্রতি বছরের মতো ২০২৬ সালেও আলোর সাজে সেজে উঠবে রামনগরী। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব এবার দশম বছরে পা দিচ্ছে। আগামী ৫ থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে উৎসবের নানা আয়োজন। ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় সরযূর তীরে জ্বলে উঠবে লক্ষ লক্ষ মাটির প্রদীপ। এরপর ৮ নভেম্বর পালিত হবে মূল দীপাবলি। আলোর এই বর্ণময় উৎসবের সাক্ষী হতে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে অযোধ্যা।

দীপোৎসবে ভাসবে সরযূ তীর: অযোধ্যার দীপোৎসবের আসল আকর্ষণ রাম কি পৈড়ি। সরযূ নদীর ধারের ঘাটগুলোতে সন্ধে নামলেই এক অলৌকিক পরিবেশ তৈরি হয়। সারি সারি জ্বলতে থাকা প্রদীপের আলোয় ঝলমলিয়ে ওঠে গোটা নদীর বুক। লেজার শো-এর সঙ্গে নদীর ঘাটে দেখা যাবে সন্ধ্যারতি। থাকে ড্রোন শো ও রকমারি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতি বছর নিজের গড়া রেকর্ড নিজেই ভাঙে অযোধ্যা। ২০২৬ সালেও এর ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয় না।

রাম জন্মভূমি দর্শন: অযোধ্যা ভ্রমণ রাম জন্মভূমি মন্দির দর্শন ছাড়া অসম্পূর্ণ। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর থেকে সারা বছরই এখানে ভক্তদের ঢল নামে। উৎসবের দিনে এখানকার ভোল পালটে যায়। রাম মন্দিরের কাছেই উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে হনুমান গড়ী। প্রচলিত বিশ্বাস, শ্রীহনুমান নিজেই রক্ষা করেন এই প্রাচীন নগরীকে। মন্দির থেকে গোটা শহরের রূপ চোখে পড়ে। তবে উৎসবের দিনগুলোতে রাম মন্দির ও হনুমান গড়ীতে প্রবল ভিড় হয়। তাই হাতে সময় নিয়ে বেরোনোই বুদ্ধিমানের কাজ।

নগরীর অন্যান্য দর্শনীয় স্থান:  অযোধ্যার অলিগলিতে লুকিয়ে রয়েছে নানা ইতিহাস। রানি কৈকেয়ীর দেওয়া সোনার প্রাসাদের গল্প জড়িয়ে রয়েছে কনক ভবনের সঙ্গে। রাম ও সীতার এই মন্দিরের অলংকরণ দেখার মতো। ভিড় এড়িয়ে শান্ত মনে ঠাকুর দর্শনের জন্য এটি দারুণ জায়গা। পাশেই রয়েছে রাজা দশরথের প্রাচীন বাসস্থান দশরথ মহল। শহরের অন্যতম জনপ্রিয় তীর্থক্ষেত্র এটি। অন্যদিকে, কেবল রামায়ণের ইতিহাস নয়, নবাবী আমলের ছোঁয়া পেতে ঘুরে আসতে পারেন গোলাপ বাড়ি থেকে। অযোধ্যার পাশেই ফৈজাবাদে অবস্থিত এই সুন্দর বাগান ও সমাধিসৌধ। আওধের তৃতীয় নবাব সুজা-উদ-দৌলার তৈরি এই জায়গাটি স্থাপত্যপ্রেমীদের মন ভরাবেই।

কীভাবে পৌঁছাবেন?

অযোধ্যায় এখন সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু রয়েছে। শহরের মহর্ষি বাল্মীকি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সোজা পৌঁছে যাওয়া যায় মূল শহরে। এছাড়া লখনউ বিমানবন্দর থেকেও গাড়ি নিয়ে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টায় অযোধ্যা আসা সম্ভব। রেলে আসতে চাইলে অযোধ্যা ধাম জংশন কিংবা অযোধ্যা ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে নামতে হবে। সড়কপথে লখনউ, বারাণসী বা প্রয়াগরাজ থেকে সহজেই বাস মেলে। তবে উৎসবের দিনগুলোতে রাস্তায় গাড়ি চড়ার আগে ট্রাফিকের কথা মাথায় রাখবেন।


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…