
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: আচমকা সোশাল মিডিয়ায় দ্বিতীয় বিয়ের ছবি পোস্ট করেই বিতর্কের কেন্দ্রে খড়গপুরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বারণসীর এক ঘাটে তোলা সেই ছবিকে ঘিরে শুরু হয় জোর চর্চা। বিষয়টি আরও জটিল আকার নেয় যখন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় ও তাঁদের কন্যা পুলিশের দ্বারস্থ হন। অভিযোগ, ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বিধায়ক। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে টানা দু’সপ্তাহ কার্যত নীরব ছিলেন তারকা-বিধায়ক। অবশেষে সেই নীরবতা ভাঙলেন হিরণ।

ঘটনার সূত্রপাত প্রায় দু’সপ্তাহ আগে। আচমকা এক বিকেলে সোশাল মিডিয়ায় নিজের দ্বিতীয় বিয়ের ছবি পোস্ট করেন হিরণ। এরপরই প্রকাশ্যে সরব হন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। তাঁর দাবি, আইনিভাবে বৈবাহিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন না করেই ফের বিয়ে করেছেন হিরণ। এই অভিযোগ ঘিরে সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় তুমুল তরজা। একপর্যায়ে বিতর্কে যোগ দেন হিরণের সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী ঋতিকা। সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, হিরণের প্রথম স্ত্রী তাঁদের সম্পর্কের কথা জানতেন এবং তাঁদের বিয়েও অনেক আগেই হয়ে গিয়েছিল। যদিও কিছু সময় পর সেই পোস্ট মুছে দেন ঋতিকা। এর মধ্যেই স্বামীর বিরুদ্ধে আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন অনিন্দিতা। বিয়েকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে আসে হিরণের দুই ‘স্ত্রী’-র মধ্যে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদও। ভাইরাল হয় হিরণ ও অনিন্দিতার একটি কল রেকর্ডিং, যা নতুন করে বিতর্কে ঘি ঢালে। এত কিছুর পরেও বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি বিধায়ক।
শেষমেশ দু’সপ্তাহ পর নীরবতা ভাঙেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। একটি সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, “আমি কলকাতায় ছিলাম না। দীর্ঘদিন চেন্নাইতে ছিলাম। যে বিষয় বিচারাধীন তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। আদালতের অসম্মান আমি করব না।”
