West Bengal Assembly: সপ্তাহের শুরুতেই বিধানসভায় অস্বাভাবিক মৃত্যু, শৌচালয় থেকে উদ্ধার কর্মীর দেহ

West Bengal Assembly
West Bengal Assembly

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসেই রাজ্য বিধানসভায় চাঞ্চল্য। বিধানসভার শৌচালয় থেকে উদ্ধার হল এক কর্মীর দেহ। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের করা হয়। খবর পেয়ে বিধানসভায় পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বয়সজনিত কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই ওই কর্মীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। ঘটনাটি বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুকে জানানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত ঘটনাস্থল ও সংলগ্ন এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। 

জানা যাচ্ছে, বিধানসভার ক্যান্টিন চালায় এক ঠিকাদার সংস্থা। সেই সংস্থার হয়ে কাজ করতেন উমেশচন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি। বছর বাষট্টির উমেশের বাড়ি তিলজলায়। ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করতেন। তবে তিনি থাকতেন বিধানসভার ক্যান্টিনেই। রাতে ঘুমোতেনও সেখানে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে দীর্ঘক্ষণ বেরননি। এরপর বাকি কর্মীরা শৌচালয় যাওয়ার জন্য গিয়ে দেখেন, দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। বহুবার ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখেন, উমেশের দেহ পড়ে রয়েছে বাথরুমের মেঝেতে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় বিধানসভার সচিব ও মার্শালকে। খবর যায় হেয়ার স্ট্রিট থানাতেও।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। বিধানসভা স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে খবর পাঠান মার্শাল দেবব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনি সবদিক খতিয়ে দেখার কথা জানান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে উমেশচন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে। দেহে আঘাতের কোনও চিহ্ন মেলেনি। তবে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নিশ্চিত করা যাবে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষাও হবে। আপাতত যেখান থেকে দেহটি উদ্ধার হয়েছে, সেই শৌচালয় ও তার আশপাশ কর্ডন করে রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে বিধানসভায় কোনও অধিবেশন চলছে না। তাই বেশি লোকজনের যাতায়াত না থাকায় পরিবেশে খুব বিঘ্ন ঘটেনি। 

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…