Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

kolkata

1 year ago

Kolkata Book Fair: ৪৮ তম বর্ষের বই উৎসব সমাপ্ত, পাঠকের উদ্দ্যেশ্য বই বিক্রি ২৫ কোটির, কী বলছেন গিল্ড কর্মকর্তারা?

International Kolkata Book Fair
International Kolkata Book Fair

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: চূড়ান্ত হই-হট্টগোল, প্রেমিক -প্রেমিকাদের আবেগঘন মুহূর্ত, বইয়ের গন্ধে ম ম মেলা প্রাঙ্গণ, লেখক-লেখিকাদের উজ্বল উপস্থিতি, কচিকাঁচাদের আনন্দঘন মুহূর্তের সমন্বয় কেটে গেল কলকাতার আরেক জনপ্রিয় উৎসব বই উৎসব। বিগত ৪৭ বছরকে বিদায় জানিয়ে ৪৮ তম বর্ষের আলোকে উদ্ভাসিত এবারের বইমেলার বিষয় ভাবনা ছিল ' জার্মানি'।

গত রবিবার অর্থ্যাৎ ৯ই ফেব্রুয়ারি ছিল বই মেলার অন্তিম দিন। এদিন মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমিয়েছিলেন আপামর বইপ্রেমীরা। অন্তিম মুহূর্তে চাক্ষুষ করার লোভেই মেলা প্রাঙ্গণে থিক থিক করছিল মানুষের মাথা। শুধু কলকাতার বাসিন্দা নন, এই গন্ডি পেরিয়ে শহরতলীর বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছেন বহু মানুষ। অন্য দিনগুলো বইমেলা খোলা থাকে রাত ৮টা পর্যন্ত। তবে শেষ দিনটায় এক ঘণ্টা বেশি। তাই বইমেলার অন্তিম লগ্নে মানুষের সমাগম ছিল চমকপ্রদ। 

এবারের বইমেলা প্রসঙ্গে,বুক সেলার্স অ্যান্ড পাবলিশার্স গিল্ডের তরফে সবাপতি ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলছেন, ‘বাংলায় এত বড় মেলা কি আর কোথাও হয়? উপলক্ষ বই হলেও বিষয়টা কি শুধু বইয়েই আটকে থাকে?’ গিল্ড জানাচ্ছে, এ বার বইমেলার ১২ দিনে (উদ্বোধনের দিন বাদ দিয়ে) মোট ২৭ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছে, বই বিক্রি হয়েছে ২৫ কোটি টাকার। গত বছর ২৩ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল, ভিড় হয়েছিল ২৭ লক্ষ মানুষেরই। ‘গত বছরের মতো এ বারের বইমেলা ১৪ দিন নয়, ছিল ১২ দিনের। ১৪ দিনের মেলা হলে প্রায় ৩০ লক্ষের ভিড় হতো,’ ব্যাখ্যা ত্রিদিবের।

রবিবার বইমেলায় আগত একজন বলছেন,  ‘বইমেলার শেষ দিনের সব চেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, অতিরিক্ত ডিসকাউন্ট। সেই লোভটা ছাড়তে পারি না।’  আসলেই তো তাই বই তো লোভনীয় প্রত্যেক পাঠকের কাছে, কিন্তু অতিরিক্ত দামে অনেকেই সংগ্ৰহ করতে পারেননা, তাঁরা অপেক্ষায় থাকেন ডিসকাউন্টের। একঝাঁক তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বললেন,  ‘এ ক’দিন বইমেলা ছিল আমাদের মিটিং প্লেস, আড্ডার জায়গা। এই আড্ডার জায়গা ফেরত পেতে অপেক্ষা করতে হবে আবার একটা বছর। এটা ভেবেই খারাপ লাগছে।’

জমজমাট বই উৎসব এবারের মতো সমাপ্ত। বিষন্ন মন নিয়ে অপেক্ষা দীর্ঘ একবছরের। ৩৬৫ দিন পর আবারও সেজে উঠবে করুনাময়ী মেলা প্রাঙ্গণ, অসংখ্য বইয়ের সাজে সুসজ্জিত হবে বই মেলা প্রাঙ্গণ।

You might also like!