Breaking News
 
WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু Union Education Minister Dharmendra Pradhan : নিট কেলেঙ্কারিতে বড় স্বীকারোক্তি, ‘শিক্ষা মাফিয়া’দের দৌরাত্ম্যের কথা মানলেন শিক্ষামন্ত্রী Suvendu Adhikari: ‘মন্ত্রীদের চিঠি লিখলে জবাব পাবেন, আমরা পেতাম না’, পুরনো সরকারের বিরুদ্ধে বিধানসভায় তোপ শুভেন্দুর Rathin Bose : রথীন্দ্র বোস হলেন স্পিকার, স্বচ্ছতার বার্তা দিয়ে বিধানসভা লাইভের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

 

West Bengal

1 hour ago

Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

Suvendu Adhikari
Suvendu Adhikari

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই জনসংযোগে জোর দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার সাধারণ মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনতে উত্তরপ্রদেশের আদলে ‘জনতার দরবার’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সূত্রের খবর, সপ্তাহে এক বা দু’দিন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই আমজনতার অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনবেন। সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, সাধারণ মানুষের কিছু অভাব-অভিযোগ থাকেই। যা মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে সর্বদা জানা সম্ভব নয়। এদিকে বহু মানুষ বিভিন্ন কারণে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগও করতে চান। কিন্তু নিয়মের বেড়াজালে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সম্ভব হয় না। চিঠি পাঠালেও সবক্ষেত্রে তা নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছয় না। সেই সমস্যা সমাধানে এবার জনতার দরকার করবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানা যাচ্ছে, সপ্তাহে ১ বা ২ দিন সরাসরি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হবে বলে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে খুশি আমজনতা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কবে থেকে শুরু হবে জনতার দরবার? সম্ভবত ১ জুন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ মিলবে রাজ্যবাসীর। 

উল্লেখ্য, তবে এরাজ্যেই প্রথম নয়। আগেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উদ্যোগে সে রাজ্যে শুরু হয়েছে জনতার দরবার। মধ্যপ্রদেশেও জনতার দরবারে আমজনতার অভাব অভিযোগ শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীও সরাসরি রাজ্যবাসীর কথা শোনেন। তবে সেই কর্মসূচির নাম ‘জনশুনানি’। এবার বাংলাতেও শুরু হতে চলেছে একই কর্মসূচি।   সদ্যই লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পাশ করানোর চেষ্টা করেছিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়মের পাশাপাশি ডিলিমিটেশন বিলটিও পেশ করার কথা ছিল। কিন্তু প্রথম বিলটি পাশ না হওয়ায় শেষে আর ডিলিমিটেশন বিল পেশ করেননি অমিত শাহ। পরবর্তীকালে হয়তো আবারও সেই চেষ্টা করবে কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় স্তরে যা-ই হোক আগামী দিনে বাংলায় যে বিধানসভার আসন পুনর্বিন্যাস হতে পারে সেটার ইঙ্গিত মিলল খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথায়।

শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, আগামী দিনে এই স্পিকারের নেতৃত্বেই হয়তো বিধানসভা ভবনের সংস্কার করতে হবে। এমনকী বিধানসভার নতুন ভবনের কথাও ভাবা হতে পারে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, “আগামী দিনে অনেক সংস্কারের প্রয়োজন আছে। রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা আজ এই ঐতিহাসিক অধিবেশনের সাক্ষী। ডিলিমিটেশন হয়ে গেলে হয়তো আসন সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আমাদের নতুন ভবন তৈরি করার দরকার পড়তে পারে।”

ডিলিমিটেশন অর্থাৎ আসন পুনর্বিন্যাস বিজেপির পুরনো এজেন্ডা। যদিও এরাজ্যে গেরুয়া শিবিরের সংকল্প পত্রে এর উল্লেখ ছিল না। বিধানসভা অধিবেশনের শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখে ডিলিমিটেশনের উল্লেখ, তাই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় স্তরে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাসের জন্য সংসদের অনুমতির প্রয়োজন। তবে বিধানসভার ক্ষেত্রে পুনর্বিন্যাস বা আংশিক পুনির্বিন্যাসের নির্দেশ দেওয়ার জন্য লোকসভার অনুমতির প্রয়োজন হয় না। রাষ্ট্রপতির অনুমতি থাকলেই কমিশন গঠন করতে পারে রাজ্য সরকার। সেই কমিশনের রিপোর্ট বিধানসভায় পাশ করাতে হয়। ঘটনাচক্রে রাজ্যে বর্তমান সরকারের হাতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে আসন পুনর্বিন্যাস করাতে চাইলে সমস্যা হওয়ার কথা নয় শুভেন্দু অধিকারীর।

অবশ্যম্ভাবীভাবে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি ২০২৩ সালে হিমন্ত বিশ্বশর্মা যে ধাঁচে অসমে আসন পুনর্বিন্যাস করিয়েছেন, সেই একই ধাঁচে আগামী দিনে বাংলাতেও ডিলিমিটেশন দেখা যাবে। বিরোধীরা বলেন, ২০২৩ সালের আসন পুনর্বিন্যাসের পরে অসমে সংখ্যালঘু ভোটের গুরুত্ব অনেক কমে গিয়েছে। আগে যেখানে অন্তত ৩৫ আসনে সংখ্যালঘুরা নির্ণায়ক ভূমিকা নিতেন, সেখানে ওই ধরনের আসন সংখ্যা এখন মাত্র ২২। চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে অসমে বিরোধীরা ওই ২২ টি আসনের বাইরে সেভাবে প্রভাবই ফেলতে পারেনি। আগামী দিনে বাংলাতেও কি ওই একই মডেল প্রয়োগ করতে চাইছেন শুভেন্দু?

You might also like!