Breaking News
 
ssc-omr-sheets : রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রকাশের দিনেই প্রকাশ্যে শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর শিট, বাড়ল বিতর্ক TMC: অষ্টাদশ বিধানসভায় তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন শোভনদেব; গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ-নয়নারা Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

 

West Bengal

6 days ago

Raj Chakraborty: গণনাকেন্দ্রে চাঞ্চল্য, ব্যারাকপুরে রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়া ও স্লোগান

Raj Chakraborty
Raj Chakraborty

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটগণনার ফলাফলের প্রবণতা স্পষ্ট হতে শুরু করতেই রাজ্যের একাধিক গণনাকেন্দ্রে উত্তেজনার ছবি ধরা পড়ল। বারাকপুরে Raj Chakraborty-এর বিরুদ্ধে গণনাকেন্দ্র ছাড়ার সময় বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। তাঁর উদ্দেশে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। এমনকী তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় কাদা এবং চটি। যদিও গোটা সময়টাতেই রাজকে সংযত থাকতে দেখা গিয়েছে। হাসিমুখে তিনি গণনাকেন্দ্র ছেড়েছেন। অন্যদিকে কোচবিহারের সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে।

প্রথম থেকে বারাকপুর আসনে রাজের পিছিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল। সপ্তম রাউন্ডের পর দেখা যায়, বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচীর থেকে ৯,৫৮২ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন রাজ। এরপরই গণনাকেন্দ্র ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সম্প্রতি রাজের গণনাকেন্দ্র ছাড়ার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, তাঁকে দলের কর্মী সমর্থক, পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগ, সেই সময় রাজকে লক্ষ্য করে কাদা ছিটানো হয়। যদিও দলের কর্মীরা তাঁকে আড়াল করে গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিয়ে যান। যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এবিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি রাজ।

২০২১ সালে টলিউডের প্রথম সারির পরিচালক রাজ চক্রবর্তী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। সেই বছরই বিধানসভা নির্বাচনে বারাকপুর থেকে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল। ভোটে জিতেও যান তিনি। ছাব্বিশেও বারাকপুর থেকে তাঁর উপরেই ভরসা রেখেছিল দল। কিন্তু ট্রেন্ড অনুযায়ী, প্রায় ১০ হাজারের কাছাকাছি ভোটে বিজেপির কৌস্তভ বাগচীর থেকে পিছিয়ে রয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, রাজ্যে প্রায় ২০০ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে তাঁরা। এই আবহে রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস দখল, আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও তৃণমূলের নেতাদের ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে। হেস্টিংসের কাউন্টিং সেন্টারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছলে তাঁকে ঘিরেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপি কর্মীরা। ওঠে চোর চোর স্লোগান। তাই বলা বাহুল্য, রাজ্যে ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারের পতন হতে চলেছে।

You might also like!