Breaking News
 
CM Suvendu Adhikari: নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি করা যাবে না, ইন্দ্রনীল-কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর! গাইলেন ‘আমার যাওয়ার সময় হলো’ Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে DA hike news 2026 July: উৎসবের আগেই উপহার কেন্দ্রের! কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বৃদ্ধি ঘিরে স্বস্তি

 

Narendra Modi : "৫০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে শান্তিপূর্ণ ভোট", বাংলায় এসে নির্বাচন কমিশনকে দরাজ সার্টিফিকেট মোদীর

Narendra Modi
Narendra Modi

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরে আয়োজিত এক বিশাল জনসভা থেকে তিনি বাংলার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, গত পাঁচ দশকে এমন শান্তিপূর্ণ ও হিংসামুক্ত নির্বাচন রাজ্যবাসী আগে কখনও দেখেনি।

কৃষ্ণনগরের সভামঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদী বলেন, "বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এটিই প্রথম নির্বাচন, যেখানে হিংসার ঘটনা একেবারেই নগণ্য। আগে বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু ছিল না, গুণ্ডামিই ছিল শেষ কথা। প্রতি সপ্তাহে কাউকে না কাউকে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। আজ সেই অন্ধকারের দিন শেষ হয়েছে।" তিনি আরও যোগ করেন, নির্বাচন কমিশন বাংলার মাটিতে গণতন্ত্রের মর্যাদা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে সফল হয়েছে।

এদিনের সভা থেকে কেবল ভোটারদেরই নয়, বরং নির্বাচনের কাজে যুক্ত সরকারি কর্মচারীদেরও কুর্নিশ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, "আমি রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মানুষ নির্ভয়ে বুথে যেতে পারছেন।" একইসঙ্গে প্রথম দফার ভোটের হারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁর কাছে আসা খবর অনুযায়ী, এবার ভোটদানের হার আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একদিকে যখন বিরোধী দলগুলো বিক্ষিপ্ত অশান্তির অভিযোগ তুলছে, তখন খোদ প্রধানমন্ত্রীর তরফে কমিশনকে এই ‘ক্লিন চিট’ দেওয়া শাসক দল তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। মোদী স্পষ্ট করে দেন যে, ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারাটাই বাংলার মানুষের সবথেকে বড় পাওনা।

এদিন কৃষ্ণনগরের জনসভা থেকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে তাঁর ‘ঝালমুড়ি’ খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে এদিন মজার ছলে তৃণমূলকে বিঁধলেন তিনি। মোদী বলেন, "ঝালমুড়ি আমি খেলাম, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের!" মূলত বিরোধীদের সমালোচনাকে ব্যঙ্গ করতেই প্রধানমন্ত্রীর এই শ্লেষাত্মক মন্তব্য বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

নির্বাচনী প্রচারের সুর চড়িয়ে মোদী দাবি করেন, এবার রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় তৃণমূল খাতা খুলতে পারবে না। তিনি বলেন, "বাংলার মানুষ ভয়মুক্ত হয়ে ভোট দিচ্ছেন এবং আমি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি, এবার বাংলায় পরিবর্তন আসছেই। এ রাজ্যে পদ্ম ফোটা এখন সময়ের অপেক্ষা।" সাধারণ মানুষের উৎসাহ দেখে তিনি আশাবাদী যে, ২০২৬-এর এই লড়াইয়ে তৃণমূলের আধিপত্য শেষ হতে চলেছে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে ঝাড়গ্রামে প্রচারের ফাঁকে গাড়ি থামিয়ে স্থানীয় এক বিক্রেতার কাছ থেকে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই বিরোধীরা নানা মন্তব্য শুরু করেন। এদিন কৃষ্ণনগরের সভা থেকে সেই প্রসঙ্গ তুলেই মোদী স্পষ্ট করে দেন যে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর এই সংযোগই শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক এবং রসিকতাপূর্ণ ভাষণ এদিন কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করে।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…