Breaking News
 
Suvendu Adhikari helicopter diversion: আবহাওয়ার চোখরাঙানি, কালিম্পংয়ে নামল না মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার! অবতরণ উত্তরকন্যায় CM Suvendu Adhikari: ‘গ্রেপ্তার করে লুটের টাকা ফেরত’! জিটিএ দুর্নীতিতে এবার কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির PM Modi Gujarat-Maharashtra Visit: ‘আড়ি আড়ি’ গানে মোদিকে স্বাগত! ভদোদরার মঞ্চে কংগ্রেসকে তুলোধোনা, উন্নয়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর Vijay Stalin Gesture Row: ‘ভাঙা চোয়াল’ নিয়ে স্ট্যালিনকে কটাক্ষ! বিধানসভায় বিজয়ের মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক Dilip Ghosh: ‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’! দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে সুর চড়ালেন দিলীপ

 

kolkata

1 week ago

Mamata Banerjee: ‘বিশেষ অধিবেশন পুরোপুরি অবৈধ’! নির্বাচন কমিশনকে চিঠি মমতার

Mamata Banerjee
Mamata Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম, জোড়াফুল প্রতীক এবং দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে কালীঘাটের তৃণমূল ও বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সংঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। নিজেদের দাবির সমর্থনে দু’পক্ষই নির্বাচন কমিশনের কাছে একাধিক নথি ও তথ্য জমা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই সোমবার কালীঘাট শিবিরের তরফে প্রকাশ্যে আনা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা কমিশনের উদ্দেশে একটি চিঠি। গত ৩০ অগস্ট কমিশনের সচিবকে পাঠানো ওই চিঠিতে তৃণমূলনেত্রী নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে চলা তদন্ত দ্রুত শেষ করার আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ২২ জুন নিউ টাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ডাকা বিশেষ অধিবেশনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তাঁর দাবি, ওই অধিবেশন সম্পূর্ণ বেআইনি ছিল। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক পিরজাদা কাশেম সিদ্দিকির পাঠানো একটি চিঠির কথাও নিজের বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন তৃণমূলনেত্রী। 

চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আমডাঙার বিধায়ক পিরজাদা কাশেম সিদ্দিকি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে একটি চিঠি দিয়েছেন। এতে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৬–এর ২২ জুন কলকাতার হোটেলে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের যে তথাকথিত ‘বিশেষ অধিবেশন’ হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সে বিষয়ে দলের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের কোনও পূর্ব নোটিস বা বার্তা দেওয়া হয়নি। উক্ত চিঠিতে তথাকথিত ‘বিশেষ অধিবেশন’ সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুতর পদ্ধতিগত ও আইনি অনিয়ম এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি সুনির্দিষ্ট ভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনা হয়েছে। সেই কারণে আইনের বিচারে এটিকে কোনও বৈধ প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়।’ 

এই চিঠিতে মমতা আরও অভিযোগ করেছেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায় ও অন্যদের দ্বারা ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর তথাকথিত পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াটি ছিল সম্পূর্ণ বেআইনি, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং দলের প্রতিষ্ঠিত সাংগঠনিক ও সাংবিধানিক কাঠামোর পরিপন্থী। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘যে পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’-এর প্রতীক ও জনসমর্থন নিয়ে বিধানসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ব্যক্তিরা এ ধরনের পদক্ষেপ করেছেন, তা-ও গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়।’ যদিও এই চিঠি প্রসঙ্গে এ দিন ঋতব্রত বলেন, ‘এত তাড়াহুড়োর কী আছে? নির্বাচন কমিশনের উপরে ভরসা রাখুন। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপরেই ভরসা রেখেছি।’ তাঁর কটাক্ষ, ‘আসলে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের মতো আরও যদি কিছু বেরিয়ে যায় তার জন্যই উনি তাড়াহুড়ো করছেন।’

You might also like!