Breaking News
 
Earthquake: কলকাতায় কম্পন! দুপুরের তিলোত্তমায় ভূকম্পন আতঙ্ক, বহুতল থেকে হুড়মুড়িয়ে নিচে নামলেন বাসিন্দারা Rinku Singh's father: ক্রিকেট বিশ্বে শোকের ছায়া! ক্যানসারের মরণব্যাধি কেড়ে নিল রিঙ্কু সিংয়ের বাবাকে, ভেঙে পড়েছেন তারকা ব্যাটার Amit Shah:‘উল্টো লটকে সোজা করে দেব’, শাহের মেজাজি ভাষণে পাল্টা বিঁধল ঘাসফুল শিবির; শুরু হল অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র সংঘাত T20 World Cup and metro: রবিবাসরীয় ক্রিকেটের ধামাকা! দর্শকদের ভিড় সামলাতে প্রস্তুত এসপ্ল্যানেড স্টেশন, অতিরিক্ত মেট্রোর সময় এক নজরে Rujira Banerjee: রুজিরার সম্মান রক্ষায় ঢাল কলকাতা হাই কোর্ট! কুৎসিত আক্রমণ ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে জারি হল কড়া নিষেধাজ্ঞা Pakistan:কাবুল-কান্দাহারে পাক বায়ুসেনার বিধ্বংসী হামলা! তালিবানকে ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’-এর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

 

kolkata

4 days ago

Kunal Ghosh On Mukul Roy: “রজ্জুতে সর্পভ্রম করে আমাকে বধ করার দরকার মনে করেছিল”, মুকুলপ্রয়াণে স্মরণ কুণালের

Kunal Ghosh On Mukul Roy
Kunal Ghosh On Mukul Roy

 

কলকাতা, ২৩ ফেব্রুয়ারি । “আমার রাজনৈতিক উচ্চাশা ছিল না। তবু, রজ্জুতে সর্পভ্রম করে আমাকে বধ করার দরকার মনে করেছিল।” সোমবার এক্সবার্তায় এ কথা লিখলেন তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কুণাল লিখেছেন, “মুকুল রায় প্রয়াত, চিরশান্তিতে থাকুক। দীর্ঘকাল চিনি। সাংবাদিক হিসেবে বা পরে রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে। একটা সময়ে মমতাদির পরম অনুগত। দলের কঠিন সময়েও তৃণমূলভবন আগলে পড়ে থাকত। কর্মীদের সময় দিত। দিদির নির্ভরযোগ্য স্তম্ভ ছিল। বাংলা চিনত। পরে সময়ের সঙ্গে বদল।

আমার বিশ্বাসের মর্যাদা না দিয়ে আমাকে খাদের ধারে নিয়ে গিয়ে ঠেলে ফেলে দেওয়ার মূল কারিগর ছিল মুকুলদা। আমাকে, আমার ঘনিষ্ঠদের যা বলেছিল, ধ্রুবসত্য ধরেছিলাম। কঠিনতম দিনে ক্রমশ বুঝেছি রাজনীতির খেলা। পরে মুকুলদা তখন বিজেপিতে, আমাকে নানা কথা বলে আবার কাছে টেনে বিজেপিতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। আমার বাড়িতে এসেছে একাধিকবার, আমি না বলায় আমার এলাকার ভাই, বন্ধুদের বুঝিয়েছে। বলেছে, 'অমুক অমুক ' কারণে এই পার্টি করা যাবে না। কুণাল চলে আসুক। আন্তরিকভাবে আমাকে ওর সঙ্গে নতুন দলে নিয়ে যাওয়ার জন্য বুঝিয়েছে। আমি বলেছি, সব বুঝলাম, কিন্তু দল ছাড়ব না, দলের ভেতরেই নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করে যাব। আরও পরে মুকুলদা অসুস্থ। মনেপ্রাণে চেয়েছি, সেরে উঠুক।

ওর ছেলে শুভ্রাংশুর সঙ্গে আমার টুকটাক যোগাযোগ থাকে। মুকুলদাকে দেখতেও গেছি। শুভ্রাংশু ও পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা। মুকুলদা একজন দক্ষ রাজনৈতিক কর্মী ছিল। ওর সঙ্গে কিছু মুহূর্ত মনে থাকবে। ওর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের আগের রাতে দিল্লির বাড়ির সামনের গাছের তলার আলোচনা এবং দিদির ঘরের দরজা নক করে আরও অনুরোধ ; কিংবা কালিম্পংএ শীতের রাতে আমি আর মুকুলদা রুম হিটার কোলে নিয়ে জেগে গল্প, এরকম বেশ কিছু মুহূর্ত আছে। ওর প্রতি আমার রাগ, অভিমান আছে। কিন্তু ওর বৈশিষ্ট্যগুলো অস্বীকার করব কেন? ও আমার ক্ষতি করার কারিগর। অনেক পরেও সিবিআইকে কত বড় মিথ্যা বয়ান দিয়ে আমাকে আরও ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে, আমি দেখেছি, আমি জানি, ঈশ্বর আছেন। কিন্তু ও তৃণমূলের দুঃসময়ের অন্যতম সৈনিক, পাল্টেছে অনেক পরে।

তবে, আমার মতে কারণ যাই হোক, ওর তৃণমূল ছাড়াটা মস্ত ভুল। তৃণমূলে ও একটা বড় নাম। তবে দলবদলের জটিল আবর্তে সম্মান ও গুরুত্বটা হারিয়ে ফেলেছিল। আজ ওর বিদায়ের মুহূর্তে সুন্দর কিছু স্মৃতি মনে থেকে যাক। বাকি পর্যালোচনা চলতে থাকবে।”

You might also like!