Breaking News
 
Mamata Banerjee: ‘বিজেপির লুট ও গণতন্ত্র হত্যা’, আইপ্যাক অফিসে ইডি অভিযানের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক মমতার Mamata Banerjee at I-PAC Office: 'মার্ডার অফ ডেমোক্রেসি',সল্টলেকে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি, বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ মমতার Mamata banerjee: ‘আমাদের ভোটের স্ট্র্যাটেজি ছিনতাই করা হয়েছে’—ইডি হানার মধ্যে I-PAC দপ্তরে তোপ দাগলেন মমতা Mamata Banerjee: তল্লাশির আবহে প্রতীকের বাড়ি থেকে I-PAC, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে তোলা হল গুরুত্বপূর্ণ নথি ED Raid at I-PAC Office: সল্টলেক ও লাউডন স্ট্রিটে ইডির তল্লাশি, কয়লা পাচারের পুরনো মামলায় প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি TMC government initiatives:তিন কর্মসূচিতেই কেল্লাফতে? বিরোধীদের রুখতে নবান্নের হাতিয়ার এখন পরিষেবা আর ‘পাঁচালি’ প্রচারের কড়া নজরদারি

 

Life Style News

1 day ago

Religious Stories: শনির কোপে দেবাদিদেব! পুরাণের এই অজানা গল্প জানলে চমকে যাবেন— কেন মহাদেবকেও শিকার হতে হয়েছিল শনির বক্রদৃষ্টির?

Mahadev (Lord Shiva) and Shani Dev (Saturn)
Mahadev (Lord Shiva) and Shani Dev (Saturn)

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: হিন্দু পুরাণে শনিদেবকে নিয়ে মানুষের মনে ভয়ের অন্ত নেই। মনে করা হয়, শনির অশুভ দৃষ্টি যাঁর ওপর পড়ে, তাঁর জীবনে বিপর্যয় নেমে আসে। কিন্তু আপনি কি জানেন, স্বয়ং মহাদেবকেও একবার শনির রোষ থেকে বাঁচতে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয়েছিল? শনিদেবের ন্যায়নিষ্ঠা এবং মহাদেবের সেই বিশেষ লীলা নিয়ে একটি আশ্চর্যজনক কাহিনী প্রচলিত আছে।

শনির গুরু মহাদেব

হিন্দু পুরাণ অনুসারে মহাদেবকে নিজের গুরু হিসেবে মান্য করেন শনি। স্বয়ং মহাদেবই শনিকে কর্মফলদাতার আসনে বসান। শিবের আশীর্বাদেই যে যেমন কাজ করবে, তাকে তেমন ফল দান করার জন্য অধিকারী হন শনি। কেউ খারাপ কাজ করলে তাকে শাস্তি দেওয়ার অধিকার মহাদেবের আশীর্বাদেই লাভ করেন শনি। শনির দশা মানেই কিন্তু খারাপ নয়। কেউ খারাপ কাজ করলে শনি যেমন বক্রদৃষ্টি দেন, তেমনই ভালো কাজ করলে শনির প্রভাবে শুভ ফল লাভ করা যায়।

ছোটবেলা থেকেই শনি ছিলেন রাগী এবং উদ্ধত। তাঁকে নম্র করতে পিতা সূর্যদেব মহাদেবের দ্বারস্থ হন। মহাদেব শনিকে অনেক বুঝিয়েও তাঁর রাগ প্রশমিত করতে না পেরে শেষে তাঁকে আক্রমণ করেন। মহাদেবের আক্রমণে অজ্ঞান হয়ে যান শনি। তারপর মহাদেব তাঁর জ্ঞান ফিরিয়ে আনলে শিবের পরম ভক্ত হয়ে ওঠেন তিনি।

শিবের উপর শনির দৃষ্টি

একবার শনি এসে শিবকে বলেন,'কাল আপনার উপর আমি নিজের বক্রদৃষ্টি রাখব।' তাঁর উপর শনির বক্রদৃষ্টির মেয়াদ কতক্ষণ থাকবে, তা শনির কাছে জানতে চান শিব। তিন ঘণ্টা এই বক্রদৃষ্টি থাকবে বলে তাঁকে জানান শনি। পরের দিন সকালে শনির দৃষ্টি এড়াতে মর্ত্যে গিয়ে একটি হাতির রূপ ধরে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ান মহাদেব। এই ভাবে শনির বক্রদৃষ্টি এড়ানো গিয়েছে, এই ভেবে সারা দিন পর আবার স্বমূর্তি ধারণ করে কৈলাশে ফিরে আসেন তিনি। দেখেন সেখানে শনি তাঁর জন্য অপেক্ষা করছেন।

মহাদেব তাঁকে বলেন, 'সবাই বলে তোমার বক্রদৃষ্টি এড়ানো যায় না। দেখো আমি তোমার দৃষ্টিকে কেমন ফাঁকি দিলাম।' শনি তখন হাসতে হাসতে বলেন, 'আপনি মোটেও আমার দৃষ্টি এড়াতে পারেন নি।' শিব অবাক হয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, 'আজ সারাদিন তোমার সঙ্গে আমার দেখাই হয়নি। তাহলে কী করে আমার উপর তোমার দৃষ্টি পড়ল?' শনি তাঁকে বলেন, 'আপনি কৈলাশ ত্যাগ করে দেবরূপ থেকে একটি পশুর রূপ নিয়ে সারাদিন মর্ত্যের জঙ্গলে ঘুরে বেড়ালেন। এটাই তো আমার বক্রদৃষ্টির ফল।'

শনির কথা শুনে প্রসন্ন হয়ে শিব তাঁকে কর্মফলদাতার আসনে বসান। সেই থেকে কেউ অন্যায় করলে শনির বক্রদৃষ্টি তাকে সাড়ে সাতি ও ধাইয়ার মাধ্যমে শাস্তি অবশ্যই দেয়।

You might also like!