
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ফুটবলপ্রেমীদের বিচারে ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা মরশুমের স্বীকৃতি পেলেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ২০০৮ সালে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন সিআর সেভেন। এবার সেই বছরই ফুটবলপ্রেমীদের ভোটে ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। রোনাল্ডোর কেরিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় এই সাফল্য ফের একবার আলোচনায় উঠে এসেছে।
‘ব্যালন ডি’অর অফ অল টাইম’ ফ্যান ভোটে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসিকে কয়েক কদম পিছনে ফেলে এই খেতাব জিতলেন রোনাল্ডো। ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর অভিযান বেছে নেওয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের আহ্বান করা হয়েছিল ভোট দেওয়ার জন্য। রোনাল্ডোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অর ৭৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। মেসির ২০১২ সালের ব্যালন ডি’অর ভোট পেয়েছে ৯ শতাংশ। রিয়াল মাদ্রিদে থাকাকালীন ২০১৭ সালে ব্যালন ডি’অর পুরস্কার পেয়েছিলেন রোনাল্ডো। এই ব্যালন ডি’অর ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।
২০০৭-০৮ মরশুম। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের জার্সিতে তখন অপ্রতিরোধ্য ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৯ ম্যাচে ৪২ গোল করেছিলেন। ১৮ বছর বয়সে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে পা রাখা সেই তরুণ তত দিনে বিশ্ব ফুটবলের সেরাদের তালিকায় নিজের জায়গা পাকা করে ফেলেছেন। মরশুম শেষে হাতে উঠেছিল ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। ইউনাইটেডের হয়ে সেটি ছিল তাঁর পঞ্চম মরশুম। সেই সময়ের মধ্যেই ঘরোয়া লিগের পাশাপাশি জিতেছিলেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগও। ২০০৩ সালের আগস্টে পর্তুগিজ ক্লাব স্পোর্টিং সিপি থেকে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ম্যান ইউতে যোগ দিয়েছিলেন রোনাল্ডো। তিনিই ছিলেন ক্লাবটির জার্সি পরা প্রথম পর্তুগিজ ফুটবলার। পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসেও ব্যালন ডি’অর জয়ের তালিকায় তাঁর নাম তৃতীয়। এর আগে ১৯৬৫ সালে ইউসেবিও এবং ২০০০ সালে লুইস ফিগো এই সম্মান পেয়েছিলেন।
তবে ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে রোনাল্ডোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির কীর্তিও কম নয়। ২০০৯ থেকে ২০১২, টানা চার বছর এই পুরস্কার জিতেছিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। মেসির ঝুলিতে রয়েছে রেকর্ড ৮টি ব্যালন ডি’অর। অন্যদিকে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ বার এই সম্মান পেয়েছেন রোনাল্ডো। কিন্তু সর্বকালের সেরা ব্যালন ডি’অর জেতার ক্ষেত্রে মেসিকে পিছনে ফেলেছেন সিআর৭। এক্ষেত্রে তিনি পিছনে ফেলেছেন ২০১২ সালের মেসির সোনালি অভিযানকে। সেই বছর ৯১ গোল করেছিলেন এলএম১০।
