Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Country

9 months ago

Manoj Pant:নির্দেশ অমান্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে হাজিরার নোটিস জাতীয় নির্বাচন কমিশনের

Election Commission
Election Commission

 

দুরন্তবার্তা ডিজিটাল ডেস্ক :নবান্ন ও নির্বাচন কমিশনের টানাপোড়েন আরও তীব্র আকার নিয়েছে। চারজন অফিসারের বিরুদ্ধে কমিশনের সাসপেনশন ও এফআইআরের নির্দেশ উপেক্ষা করেছে রাজ্য সরকার। এর ফলেই মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দিল্লিতে ডেকে পাঠাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল, অর্থাৎ বুধবার বিকেল ৫টার মধ্যে তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তকরণে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল ৪ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। তাঁরা হলেন বারুইপুর পূর্ব (১৩৭) বিধানসভা কেন্দ্রের ইআরও দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, সহকারী এইআরও তথাগত মণ্ডল, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার, এইআরও সুদীপ্ত দাস এবং ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদার। এই ৪ আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার মুখ্যসচিব নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে জানান, ওই চার আধিকারিককে সাসপেন্ড ও এফআইআর করা হবে না। তাঁদের মধ্যে দু’জন যথাক্রমে বারুইপুর পূর্বের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদার ও ময়নার এইআরও সুদীপ্ত দাসকে  নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে জানানো হয়েছিল, মনোবল ভেঙে যাবে।

রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের পরই এবার কড়া পদক্ষেপ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার বিকেল ৫ টার মধ্যে মুখ্যসচিবকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে ডাকা হয়েছে।  প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন। বলেছিলেন, কোনও আধিকারিককে শাস্তি পেতে দেবেন না তিনি। 


You might also like!