Breaking News
 
Giorgia Meloni: মোদি-মেলোনি বন্ধুত্বের চর্চার মাঝেই রসিকতা,‘দিল্লি থেকে ভোটে দাঁড়ান…’, প্রস্তাব উপ-প্রধানমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে বড় ঘোষণা, বাংলায় গড়ে উঠবে জাতীয় মানের ‘বন্দে মাতরম’ মিউজিয়াম Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় নতুন মোড়, কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ Darkest chapter: ৫০ বছর পর ইতিহাসের পাতায় জরুরি অবস্থা, এনসিইআরটি বইয়ে জায়গা পেল ইন্দিরা জমানার বিতর্কিত অধ্যায় Mamata Banerjee: একুশে জুলাইয়ে অস্তিত্বের লড়াই, ‘বেইমান নই’ বার্তায় সংগঠন ধরে রাখতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল CM Suvendu Adhikari: তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, কলকাতা-সহ একাধিক এলাকায় বন্ধ নির্মাণকাজ

 

Travel

2 years ago

Maheshganj Estate: সপ্তাহান্তে ছুটি কাটাতে ঘুরে আসতে পারেন নীল কুঠি!

Maheshganj Estate (File Picture)
Maheshganj Estate (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সারা সপ্তাহের ইঁদুর দৌড়ের পর পাওয়া যায় একটা উইকএন্ড। ছুটির দুটো দিন। এই দুটো দিনে যদি কলকাতার আশেপাশে কোথাও ঘুরে আসা যায়, কী ভালোই না হয়! এই তাগিদে অনেকেই বেড়িয়ে পরেন। কেউ হোটেল বা রিসর্টে গিয়ে ওঠেন, কেউ আবার খোঁজেন হোমস্টে। এর বাইরে যদি একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চান তাহলে আপনার অপেক্ষায় রয়েছে মহেশগঞ্জ এস্টেট। সেই ‘নীল কোঠি’ যা আপনাকে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। হাতে ছুঁয়ে দেখতে পারবেন বাংলার ইতিহাস।

ইতিহাস

নেটদুনিয়া থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭৮০ সালে বালাখানার ঐতিহ্যবাহি এস্টেট তৈরি করেছিলেন ইটালিয়ান চিকিসক জন অ্যাঞ্জেলো সাভি। এলিজাবেথ নামের এক ফরাসি মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাই বাড়িতেও ফরাসি স্থাপত্যের ছোঁয়া রয়েছে। নীল বিদ্রোহের পর এই এস্টেট বিক্রি হয়ে যায়। জনের নাতি হেনরি নেসবিটের কাছ থেকে তা তা কিনে নেয় পালচৌধুরী বংশ। তার পর থেকে তাঁরাই সামলাচ্ছেন এস্টেটের যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কাজকর্ম।

কীভাবে যাবেন?

এনএইচ ৩৪ ধরে যশোর রোড ধরে কৃষ্ণনগর। সেখান থেকে মহেশগঞ্জ হয়ে বালাখানা। অথবা কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে কালনা। সেখান থেকে গৌরাঙ্গসেতু ধরে মহেশগঞ্জ সাইনবোর্ড ধরে বালাখানা। নয়তো ট্রেনে কৃষ্ণনগর পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যেতে পারে।

থাকা এবং খাওয়া:

বর্তমানে মহেশগঞ্জ এস্টেটে পাঁচটি এসি রুম এবং ছটি নন-এসি গেস্টরুম রয়েছে এখানে। আর সেই সঙ্গে রয়েছে বিশাল এবং লম্বা একটি বারান্দা। সেখানে বসলেই মন জুড়িয়ে যাবে। মনে হবে যেন টাইম মেশিনে চড়ে অতীতের কোনও সময়ে চলে গিয়েছেন। পাখির কলকাকলি শুনতে পাবেন। হাঁসেরা কৌতূহলী হয়ে আপনার খবর নিতে আসবে। চাইলে স্নুকার বা ক্যারাম খেলার বন্দোবস্তও আছে।

হ্যাঁ, এই সব পেতে গেলে ট্যাঁকের কড়ি একটু ভালোই খসাতে হবে। চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত এক দিনের থাকার ভাড়া ৬০০০ টাকা ছিল। এর মধ্যে কম্প্লিমেন্টারি হিসেবে ব্রেকফাস্ট ও দুবেলার চা পেয়ে যাবেন। ব্রেকফাস্ট কিন্তু ইংলিশ। তবে মধ্যাহ্নভোজে বাঙালিয়ানা হতেই পারে। পদ নিরামিষ হলে পাঁচশো টাকা মতো লাগবে। আর আমিষ পদ সাতশো টাকা বাড়তি দিয়েই পেয়ে যাবেন। রাতে থাকে কন্টিনেন্টাল মেনু। এছাড়া মিষ্টি, কেক, পুডিংয়ের অপশনও রয়েছে। বাকি তথ্য যাওয়ার আগে ফোন করে জেনে নেবেন। নেটদুনিয়ায় মহেশগঞ্জ এস্টেটের নাম দিয়ে খুঁজলেই তা পেয়ে যাবেন।

You might also like!