Breaking News
 
Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু Kolkata Police :হাতবদল হতেই পরিচয় বদল! কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে অপসারিত ‘দিদি’, জায়গা নিলেন ‘দাদা’ West Bengal Assembly Election Result 2026 :বকেয়া জট কাটল এক লহমায়! শপথের প্রাক্কালে বাংলার উন্নয়ন তহবিলে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত

 

Travel

1 year ago

Maheshganj Estate: সপ্তাহান্তে ছুটি কাটাতে ঘুরে আসতে পারেন নীল কুঠি!

Maheshganj Estate (File Picture)
Maheshganj Estate (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সারা সপ্তাহের ইঁদুর দৌড়ের পর পাওয়া যায় একটা উইকএন্ড। ছুটির দুটো দিন। এই দুটো দিনে যদি কলকাতার আশেপাশে কোথাও ঘুরে আসা যায়, কী ভালোই না হয়! এই তাগিদে অনেকেই বেড়িয়ে পরেন। কেউ হোটেল বা রিসর্টে গিয়ে ওঠেন, কেউ আবার খোঁজেন হোমস্টে। এর বাইরে যদি একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চান তাহলে আপনার অপেক্ষায় রয়েছে মহেশগঞ্জ এস্টেট। সেই ‘নীল কোঠি’ যা আপনাকে অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। হাতে ছুঁয়ে দেখতে পারবেন বাংলার ইতিহাস।

ইতিহাস

নেটদুনিয়া থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭৮০ সালে বালাখানার ঐতিহ্যবাহি এস্টেট তৈরি করেছিলেন ইটালিয়ান চিকিসক জন অ্যাঞ্জেলো সাভি। এলিজাবেথ নামের এক ফরাসি মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। তাই বাড়িতেও ফরাসি স্থাপত্যের ছোঁয়া রয়েছে। নীল বিদ্রোহের পর এই এস্টেট বিক্রি হয়ে যায়। জনের নাতি হেনরি নেসবিটের কাছ থেকে তা তা কিনে নেয় পালচৌধুরী বংশ। তার পর থেকে তাঁরাই সামলাচ্ছেন এস্টেটের যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কাজকর্ম।

কীভাবে যাবেন?

এনএইচ ৩৪ ধরে যশোর রোড ধরে কৃষ্ণনগর। সেখান থেকে মহেশগঞ্জ হয়ে বালাখানা। অথবা কোনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে কালনা। সেখান থেকে গৌরাঙ্গসেতু ধরে মহেশগঞ্জ সাইনবোর্ড ধরে বালাখানা। নয়তো ট্রেনে কৃষ্ণনগর পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যেতে পারে।

থাকা এবং খাওয়া:

বর্তমানে মহেশগঞ্জ এস্টেটে পাঁচটি এসি রুম এবং ছটি নন-এসি গেস্টরুম রয়েছে এখানে। আর সেই সঙ্গে রয়েছে বিশাল এবং লম্বা একটি বারান্দা। সেখানে বসলেই মন জুড়িয়ে যাবে। মনে হবে যেন টাইম মেশিনে চড়ে অতীতের কোনও সময়ে চলে গিয়েছেন। পাখির কলকাকলি শুনতে পাবেন। হাঁসেরা কৌতূহলী হয়ে আপনার খবর নিতে আসবে। চাইলে স্নুকার বা ক্যারাম খেলার বন্দোবস্তও আছে।

হ্যাঁ, এই সব পেতে গেলে ট্যাঁকের কড়ি একটু ভালোই খসাতে হবে। চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত এক দিনের থাকার ভাড়া ৬০০০ টাকা ছিল। এর মধ্যে কম্প্লিমেন্টারি হিসেবে ব্রেকফাস্ট ও দুবেলার চা পেয়ে যাবেন। ব্রেকফাস্ট কিন্তু ইংলিশ। তবে মধ্যাহ্নভোজে বাঙালিয়ানা হতেই পারে। পদ নিরামিষ হলে পাঁচশো টাকা মতো লাগবে। আর আমিষ পদ সাতশো টাকা বাড়তি দিয়েই পেয়ে যাবেন। রাতে থাকে কন্টিনেন্টাল মেনু। এছাড়া মিষ্টি, কেক, পুডিংয়ের অপশনও রয়েছে। বাকি তথ্য যাওয়ার আগে ফোন করে জেনে নেবেন। নেটদুনিয়ায় মহেশগঞ্জ এস্টেটের নাম দিয়ে খুঁজলেই তা পেয়ে যাবেন।

You might also like!