
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:রাজ্যে নতুন সরকারের উচ্ছ্বাস তখনও পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েনি, তার আগেই নেমে এল রক্তাক্ত ছায়া। আবারও ভোট-পরবর্তী হিংসার নির্মম মুখ দেখতে হল রাজ্যবাসীকে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সহায়ক (ইএ) চন্দ্রনাথকে পর পর গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু। দু’ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পরে রাত প্রায় ২টো নাগাদ হাসপাতাল থেকে বার হয়ে তিনি বলেছিলেন, পূর্ব পরিকল্পিত খুন। এখানে ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত ও অন্য পুলিশকর্তারা এসেছিলেন। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির যোগ থাকতে পারে। আপাতত রাজ্য পুলিশের উপরে ভরসা রাখছি।’
বৃহস্পতিবার বারাসত হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল চন্দ্রনাথের দেহ। শুভেন্দুও সেখানে গিয়েছিলেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্য়মের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘একটি নিষ্পাপ, শিক্ষিত, তরুণকে খুন করা হল কেবলমাত্র বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক বলে আর শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছে বলে।‘ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘চন্দ্রনাথের অপরাধের কোনও ইতিহাস নেই। ও সরাসরি রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিল না। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সহায়ক হওয়ার জন্যই ওকে খুন করা হয়েছে।’
শুভেন্দু বলেন, ‘আমার আপ্তসহায়ক ছিল বলেই চন্দ্রনাথ রথকে চলে যেতে হল। আমি যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুরে না হারাতাম, তা হলে ওর এই পরিণতি হতো না।’ চন্দ্রনাথের মৃত্যুকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’ বলে জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘ঠান্ডা মাথায় রেকি করে খুন করা হয়েছে। তদন্তকারীদের কাছে আমার প্রার্থনা, এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকটা লোককে খুঁজে বার করে আইনি পথে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক।’
