Breaking News
 
BJP : প্রতি মাসে মহিলাদের ৩০০০ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সরকারি বাসে মহিলাদের টিকিট ফ্রি পয়লা জুন থেকেই মিলবে সিদ্ধান্ত সরকারের Kunal Ghosh : রাজনৈতিক সৌজন্যে শুভেন্দুকে কুণালের শুভেচ্ছা, তালিকায় শোভনদেব-অসীমা, অনুপস্থিত নয়না West Bengal Cabinet Ministers 2026: :নতুন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টন শুরু, দিলীপ-অগ্নিমিত্রাদের কোন দপ্তর? একনজরে তালিকা Suvendu Adhikari : প্রশাসনিক রদবদলে বড় ঘোষণা, প্রথম ক্যাবিনেটে ষাটোর্ধ্ব আমলাদের সরিয়ে দিলেন শুভেন্দু Humayun kabir : পঞ্চায়েত সমিতিতে বড় বিতর্ক, ২৮ কোটির দুর্নীতির অভিযোগে আতাউর, তালা ঝুলল অফিসে Subhendu Adhikari : আগামী সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ডিএ ও পে কমিশন নিয়ে আলোচনা, ইঙ্গিত শুভেন্দুর

 

kolkata

8 months ago

Dilip Ghosh:মোদির সভায় ফাঁকা আসন, দলবদলু নেতাদের কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

BJP rally controversy
BJP rally controversy

 

দুরন্তবার্তা ডিজিটাল ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অথচ মঞ্চে জায়গা পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, অর্জুন সিং, তাপস রায়ের মতো তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতারা। এই নিয়েই প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, “দলবদলু নেতারা মঞ্চ আলো করে বসে থাকাতেই দমদমে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কার্যত ফাঁকা হয়ে যায়। সব মিলিয়ে পাঁচ হাজারের মতো লোক এসেছিল। যা একেবারেই অবিশ্বাস্য!”

প্রধানমন্ত্রীর সভায় আমন্ত্রণ না থাকায় শুক্রবার বেঙ্গালুরুতে ধর্মগুরু রবিশংকরের আশ্রমে চলে যান দিলীপ। সেখান থেকে ফিরে রবিবার ফের স্বমহিমায় খুল্লামখুল্লা শব্দচয়নে নব্য বিজেপিকে বিঁধেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় লোক না হওয়া নিয়ে তীব্র ভাষায় তোপ দেগে দিলীপ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চে কারা ছিলেন? ভালো করে দেখবেন, সবকটা দলবদলু। শুভেন্দু অধিকারী, তাপস রায়, অর্জুন সিং, সজল ঘোষ….. আর ক’টা নাম বলব! এঁরা বিজেপি? এঁদের দেখে মানুষ বিজেপি করতে আসবেন? এঁদের বিরুদ্ধেই তো বিজেপি লড়াই করেছিল। ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা কার্যত ফাঁকা থেকেছে।”

দিলীপ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সভায় এত কম লোক! আমরা মিছিল-মিটিং করলেও তো এর থেকে বেশি লোক হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভায় যে পাঁচ হাজার লোক হবে তা তো ভাবাই যায় না। দর্শকস্থলের ছবি দেখছিলাম। দেখলাম সবাই গল্প করছে। সেই জোশটাই নেই। এভাবে হয় নাকি?” সেক্ষেত্রে ২০২৬-এ দলের সাফল্যের সম্ভাবনা কতটা? দিলীপের জবাব, “খুব খারাপ, খুব খারাপ। লড়াইটা হতে চলেছে ২০২১-এর আসন ধরে রাখার লড়াই। সেটাও এখন দূর অস্ত মনে হচ্ছে।” বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতায় ফিরে এদিন চনমনে দেখিয়েছে দিলীপকে। তিনি জানান, “রবিশংকরজি আমাকে বলেছেন, ছোড়না নহি, লড়তে রহো।” তিনি বলছেন, “অপেক্ষায় আছি। পার্টি যা যা কাজ দেবে, সেই কাজ করব। রোজই বিভিন্ন ধরনের জনসংযোগ কর্মসূচি থাকছে। তাই ব্যস্ত থাকছি।


You might also like!