Breaking News
 
Earthquake: কলকাতায় কম্পন! দুপুরের তিলোত্তমায় ভূকম্পন আতঙ্ক, বহুতল থেকে হুড়মুড়িয়ে নিচে নামলেন বাসিন্দারা Rinku Singh's father: ক্রিকেট বিশ্বে শোকের ছায়া! ক্যানসারের মরণব্যাধি কেড়ে নিল রিঙ্কু সিংয়ের বাবাকে, ভেঙে পড়েছেন তারকা ব্যাটার Amit Shah:‘উল্টো লটকে সোজা করে দেব’, শাহের মেজাজি ভাষণে পাল্টা বিঁধল ঘাসফুল শিবির; শুরু হল অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র সংঘাত T20 World Cup and metro: রবিবাসরীয় ক্রিকেটের ধামাকা! দর্শকদের ভিড় সামলাতে প্রস্তুত এসপ্ল্যানেড স্টেশন, অতিরিক্ত মেট্রোর সময় এক নজরে Rujira Banerjee: রুজিরার সম্মান রক্ষায় ঢাল কলকাতা হাই কোর্ট! কুৎসিত আক্রমণ ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে জারি হল কড়া নিষেধাজ্ঞা Pakistan:কাবুল-কান্দাহারে পাক বায়ুসেনার বিধ্বংসী হামলা! তালিবানকে ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’-এর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

 

Health

1 week ago

Seasonal Warning: বসন্তের শুরুতেই সতর্কবার্তা! শিশুদের মধ্যে বাড়ছে মাম্পস সংক্রমণ

Mumps Disease in Children
Mumps Disease in Children

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শীত বিদায়ের মুখে আর বসন্তের আগমনী হাওয়ায় ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে মাম্পস ভাইরাস। হাম বা চিকেন পক্সের মতো আলোচনায় না থাকলেও, মাম্পস কিন্তু অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাল সংক্রমণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তন—কখনও ঠান্ডা, কখনও গরম—এই সময়েই সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।

মাম্পস মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় নিঃসৃত লালার ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে ছড়ায়। স্কুলপড়ুয়া শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, কারণ তারা ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করে এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে অসাবধান থাকে।

∆ মাম্পসের কী কী লক্ষণ নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি-

মাম্পসের টিকা যদি না নেওয়া থাকে, তা হলে রোগটি ছড়াতে পারে। তবে দেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থ থেকে প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, মাম্পসের ভাইরাস তার রূপ বদলাচ্ছে। আরও বেশি সংক্রামক হয়ে উঠছে। এই ভাইরাস শরীরে ঢুকলে সবচেয়ে আগে লালাগ্রন্থিকে আক্রমণ করে। ফলে মুখ, চোয়াল, গাল ও গলার অংশ ফুলে যায়। তীব্র জ্বর আসে, সঙ্গে মাথায় যন্ত্রণা, বমি এবং কিছু ক্ষেত্রে খিঁচুনিও দেখা দেয়। ফলে খাবার খেতে সমস্যা হয়, কিছু খেলেই বমি হয়ে যায়। এই বিষয়ে সংক্রামক রোগ বিষয়ক চিকিৎসক অরুণাংশু তালুকদার জানাচ্ছেন, মাম্পস হলে যে কেবল গলা ফুলবে বা জ্বর আসবে তা নয়, অনেক শিশুই মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়। এতে মস্তিষ্কে প্রদাহ শুরু হয়। মাথাঘোরা, বমি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, পেশির মারাত্মক খিঁচুনি হতে পারে। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, মাম্পস ভাইরাস অগ্ন্যাশয়ে গিয়েও বাসা বাঁধে। ফলে হজমে সমস্যা, বমি, প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো রোগ হতেও দেখা যায়।


∆ সাবধানে থাকবেন কী ভাবে?

১। মাম্পস ভাইরাসের সংক্রমণ, তাই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া ঠিক হবে না। তাই জ্বর, গলা ফুলে যাওয়া, পেশির খিঁচুনি শুরু হলে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি।

২। মাম্পসের তেমন নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই, তবে টিকা আছে। একসঙ্গে মাম্পস-হাম-রুবেলার টিকা বা এমএমআর টিকা নিয়ে রাখলে ঝুঁকি কমবে। শিশুর ন’মাস বয়সে প্রথম দেওয়া হয় এই টিকা। পরে দেড় বছর ও পাঁচ বছরে দেওয়া হয় আরও দু’টি বুস্টার ডোজ়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, টিকা নিয়ে রাখলেও বুস্টার ডোজ় নিতেই হবে। না নেওয়া থাকলে, বুস্টার ডোজ় নিয়ে নিতে হবে।

৩। মাম্পস হলে শিশুকে আলাদা রাখতেই হবে, বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা জরুরি।

৪। খাওয়াদাওয়ায় নজর দিতে হবে। জল ফুটিয়ে খাওয়াতে হবে শিশুকে। দুধ, ফলের রস, পাতলা খিচুড়ির মতো তরল ও নরম খাবার খাওয়াতে হবে।

৫। বাইরের কোনও খাবার খাওয়া যাবে না। নিজের ইচ্ছামতো বা ইন্টারনেট খুঁজে ওষুধ খেলে বিপদ বাড়বে।


You might also like!