
কলকাতা, ২০ মে : এবার ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠে খেলোয়াড়দের পায়ের দক্ষতা দেখার পাশাপাশি দেখা যাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ব্যাপকভাবে ব্যবহার হবে এআই প্রযুক্তি। ফিফার প্রযুক্তি অংশীদার লেনোভোর তৈরি ফুটবল এআই প্রো সিস্টেম এই টুর্নামেন্টকে নিয়ে যাবে সম্পূর্ণ নতুন মাত্রায়।
কোচ ও খেলোয়াড়রা পাবেন যে সুবিধাগুলো:
ফুটবল এআই প্রো সিস্টেম ফিফার শত কোটি ডেটা পয়েন্ট বিশ্লেষণ করতে পারে এবং ২ হাজারেরও বেশি ফুটবল সংক্রান্ত মেট্রিক্স প্রক্রিয়া করতে সক্ষম। প্রেসিং, মুভমেন্ট, কৌশল ও ট্রানজিশনের মতো বিষয়গুলো এতে অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি দলের জন্য আলাদা এআই মডেল থাকবে। বিশ্লেষকরা ভিডিও ক্লিপ ও থ্রিডি অ্যাভাটারের মাধ্যমে দুই দলের খেলার ধরন তুলনা করতে পারবেন।
কোচরা দেখতে পাবেন তাদের কৌশলগত পরিবর্তন আসন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর হবে। খেলোয়াড়রা পাবেন ব্যক্তিগতকৃত ম্যাচ বিশ্লেষণ, যা মাঠে তাদের একটা বাড়তি সুবিধা দেবে। সিস্টেমটি তার ফলাফল টেক্সট ব্যাখ্যা, চার্ট বা ছোট ভিডিও ক্লিপের আকারে উপস্থাপন করে।
সম্পদশালী দলের একচেটিয়া সুবিধা কমাবে এআই:
ব্যাংক অব আমেরিকা গ্লোবাল রিসার্চের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে সম্পদশালী দলগুলো ডেটা বিশ্লেষণে সুবিধা পেত। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে এআই সেই সুবিধাকে সমান করে দেবে এবং সবাইকে একই সুযোগ দেবে।
বিশ্বকাপের প্রযুক্তিগত নতুন মাত্রা:
২০২৬ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ১৬টি শহরে অনুষ্ঠিত হবে। এবার থাকছে ৪৮টি দল ও ১০৪টি ম্যাচ। খেলোয়াড়দের মাত্র এক সেকেন্ডে ডিজিটাল স্ক্যান করে সঠিক থ্রিডি ভার্সন তৈরি করা হবে, যা কৌশল বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হবে।
