Yash joined the Ramayana: লস অ্যাঞ্জেলসে ‘রাবণ’ যশের রাজকীয় এন্ট্রি! সোনার দশানন ব্রোচে নজর কাড়লেন অভিনেতা

Yash Ravana gold brooch
Yash Ravana gold brooch

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  আগামী ৫ নভেম্বর দীপাবলির আবহে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেতে চলেছে ‘রামায়ণ: রাইজ অফ আ লেজেন্ড’। তার আগেই মার্কিন মুলুকে আয়োজিত হল ছবির বিশ্ব প্রিমিয়ার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রণবীর কাপুর, দক্ষিণী তারকা যশ ও সাই পল্লবী-সহ ছবির একাধিক কলাকুশলী। তাঁদের পাশাপাশি নজর কাড়েন পশ্চিমী বিনোদুনিয়ার পরিচিত মুখেরাও। তবে অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠেন পর্দার ‘লঙ্কেশ’ যশ। তাঁর পোশাকে শোভা পাচ্ছিল সোনালি রঙের দশানন-আকৃতির একটি ব্রোচ। সেই বিশেষ গয়নাই নজর কেড়েছে লস অ্যাঞ্জেলসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের। ইতিমধ্যেই যশের এই রাজকীয় সাজের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়, শুরু হয়েছে জোর চর্চা। 

লস অ্যাঞ্জেলেসের অ্যাকাডেমি মিউজিয়াম অফ মোশন পিকচার্স-এর ডেভিড গেফেন থিয়েটারে আয়োজিত হয়েছিল ‘রামায়ণ’-এর প্রিমিয়ার। যে অনুষ্ঠানে যশের সাজপোশাকে পৌরাণিক আভিজাত্যের সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ধরা পড়ল। বিশেষ করে অভিনেতার পরনে কালো স্য়ুটের উপর সোনার ব্রোচের থেকে চোখ ফেরানো যেন দায় হয়ে উঠেছিল উপস্থিত দর্শক-অুরাগীদের কাছে। যে গয়নায় সূক্ষ্ম কারুকাজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রাবণের দশ মাথা। তার সঙ্গে অতিরিক্ত সৌন্দর্য যোগ করেছে সোনার চেইন। সানগ্লাস, সোনার হুপ কানের দুলে যশের ‘খলনায়কোচিত’ ফ্যাশন বর্তমানে পশ্চিমী বিনোদুনিয়াতেও ‘টক অফ দ্য টাউন’। 


Yash at the premiere with wife Radhika Pandit

জানা গিয়েছে, ‘হাউজ অফ আম্রপালি’ নামে এক গয়না প্রস্তুতকারক সংস্থা সোনার এই ‘দশানন ব্রোচ’ তৈরি করেছে। শুধু তাই নয়, চার হাজার কোটির ‘রামায়ণ’-এ ব্যবহৃত ৪ হাজার ডিজাইনের গয়নাও তৈরি হয়েছে এই সংস্থাতেই। সে ‘রাম’ রণবীর কাপুরের গয়না হোক কিংবা ‘সীতা’ সাই পল্লবী থেকে ‘রাবণ’ যশ, এই পিরিয়ড ড্রামায় ব্যবহৃত সমস্ত গয়না তৈরির বরাত গিয়েছিল ‘হাউজ অফ আম্রপালি’র কাছেই। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রিমিয়ারের অনুষ্ঠানের জন্যেই এই ব্রোচ তৈরি করা হয়েছে,যা বাজারে মিলবে না। অতঃপর যশের দশানন ব্রোচ দেখে পরার সাধ থাকলেও সেটা কেনার সুযোগ পাবেন না আমজনতা।

ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ারের অনুষ্ঠানে কন্নড় বলয়ের হয়েও আওয়াজ তুললেন যশ। মাতৃভাষায় সকলকে অভিবাদন জানিয়ে দক্ষিণী তারকা বলেন, “তুমি কোথা থেকে কাজ শুরু করেছ, সেটার উপর নির্ভর করে না যে, তুমি কত দূর যেতে পারবে। আজ আমি কন্নড় এবং ভারতীয় সিনেজগতের একজন সদস্য হিসেবে গর্বিত। কারণ আমাদের দেশে সিনেমার মাধ্যমে আমরা শুধু গল্প বলি না, আমরা সেই গল্প প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হৃদয়ে ধারণ করি। রামায়ণ-এর মাধ্যমেই আমরা গোটা বিশ্বের কাছে ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছি।” 


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…