Breaking News
 
Earthquake: কলকাতায় কম্পন! দুপুরের তিলোত্তমায় ভূকম্পন আতঙ্ক, বহুতল থেকে হুড়মুড়িয়ে নিচে নামলেন বাসিন্দারা Rinku Singh's father: ক্রিকেট বিশ্বে শোকের ছায়া! ক্যানসারের মরণব্যাধি কেড়ে নিল রিঙ্কু সিংয়ের বাবাকে, ভেঙে পড়েছেন তারকা ব্যাটার Amit Shah:‘উল্টো লটকে সোজা করে দেব’, শাহের মেজাজি ভাষণে পাল্টা বিঁধল ঘাসফুল শিবির; শুরু হল অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র সংঘাত T20 World Cup and metro: রবিবাসরীয় ক্রিকেটের ধামাকা! দর্শকদের ভিড় সামলাতে প্রস্তুত এসপ্ল্যানেড স্টেশন, অতিরিক্ত মেট্রোর সময় এক নজরে Rujira Banerjee: রুজিরার সম্মান রক্ষায় ঢাল কলকাতা হাই কোর্ট! কুৎসিত আক্রমণ ও ব্যক্তিগত মন্তব্যে জারি হল কড়া নিষেধাজ্ঞা Pakistan:কাবুল-কান্দাহারে পাক বায়ুসেনার বিধ্বংসী হামলা! তালিবানকে ‘খোলাখুলি যুদ্ধ’-এর হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

 

Entertainment

1 day ago

Celebrity Motherhood: মালতীর জন্মঘিরে উদ্বেগ, এনআইসিইউতে তিন মাসের লড়াই—কঠিন সময়ের কথা জানালেন প্রিয়াঙ্কা

Priyanka Chopra with family
Priyanka Chopra with family

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ২০১৮ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাস। ২০২২ সালে সারোগেসির মাধ্যমে তাঁদের জীবনে আসে কন্যাসন্তান মালতী মেরি চোপড়া জোনাস। তবে কন্যার জন্মের মুহূর্ত যে এতটা দুঃসহ হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি এই তারকা দম্পতি। মাত্র ২৭ সপ্তাহে জন্ম হয়েছিল মালতীর। জন্মের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই তাকে রাখা হয় এনআইসিইউতে। চিকিৎসকেরা আগেই সতর্ক করেছিলেন সম্ভাব্য জটিলতার বিষয়ে, তবুও সন্তানের এমন সংকটজনক অবস্থা মানতে পারেননি প্রিয়াঙ্কা ও নিক। আনন্দের বদলে তাঁদের জীবন জুড়ে নেমে আসে গভীর উৎকণ্ঠা।

এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানান, “জন্মের সময় মালতীর ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। এনসিইউতে রাখা হয়েছিল জন্মের পর মালতীকে। জানতাম না, মালতীর কী হবে, আদৌ ও বাঁচবে কিনা। টানা তিন মাস ওকে হাসপাতালে আমি আর নিক দেখতে যেতাম। এই সময়ে আমাদের ফোনে একটি মেসেজ আসে। যেখানে বলা হয়, মালতীর জন্মের খবর আমরা যদি নিজেরা না জানাই তাহলে ওর জন্মের খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হবে। আর এই কারণে ওই কঠিন সময়ে আমরা বাধ্য হই আমাদের মেয়ের জন্মের খবর প্রকাশ্যে আনতে।”


প্রিয়াঙ্কা আরও জানান, “আমাদের বাড়িতে একটি বড় শিবের মন্দির আছে। সেখানে অবিরাম প্রার্থনা করে গিয়েছি আমাদের সন্তানের সুস্থতার জন্য। শুধু আমরা নয়, আমাদের পরিবারো এই ঘটনার শরিক ছিল। জীবনের সবথেকে ঙ্কঠিন সময় মনে হয় পেরিয়েছিলাম তখন। জন্মের সময় মালতীর গায়ের রঙ অদ্ভুতভাবে বেগুলি রঙের হয়ে গিয়েছিল। একটা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের আঙুলের থেকে আমার মেয়ে মুখ ছোট ছিল।” সারোগেসির সিদ্ধান্ত নিয়েও কম বিতর্কের মুখে পড়তে হয়নি প্রিয়াঙ্কাকে। নানা কটাক্ষ ও প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, শারীরিক জটিলতার কারণেই এই পথ বেছে নিতে হয়েছিল তাঁকে। তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করেন যে এমন চিকিৎসা সহায়তা নেওয়ার সামর্থ্য তাঁর ছিল। একই সঙ্গে সারোগেট মায়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। আজ মালতী সুস্থ ও হাসিখুশি। বিদেশে বেড়ে উঠলেও ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গেও পরিচিত করে তুলছেন মেয়েকে। জীবনের সেই কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে এখন মেয়ের হাসিতেই খুঁজে পান সব সুখ—এমনটাই জানালেন প্রিয়াঙ্কা। 

You might also like!