Breaking News
 
Giorgia Meloni: মোদি-মেলোনি বন্ধুত্বের চর্চার মাঝেই রসিকতা,‘দিল্লি থেকে ভোটে দাঁড়ান…’, প্রস্তাব উপ-প্রধানমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে বড় ঘোষণা, বাংলায় গড়ে উঠবে জাতীয় মানের ‘বন্দে মাতরম’ মিউজিয়াম Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় নতুন মোড়, কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ Darkest chapter: ৫০ বছর পর ইতিহাসের পাতায় জরুরি অবস্থা, এনসিইআরটি বইয়ে জায়গা পেল ইন্দিরা জমানার বিতর্কিত অধ্যায় Mamata Banerjee: একুশে জুলাইয়ে অস্তিত্বের লড়াই, ‘বেইমান নই’ বার্তায় সংগঠন ধরে রাখতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল CM Suvendu Adhikari: তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, কলকাতা-সহ একাধিক এলাকায় বন্ধ নির্মাণকাজ

 

Entertainment

4 months ago

Celebrity Motherhood: মালতীর জন্মঘিরে উদ্বেগ, এনআইসিইউতে তিন মাসের লড়াই—কঠিন সময়ের কথা জানালেন প্রিয়াঙ্কা

Priyanka Chopra with family
Priyanka Chopra with family

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ২০১৮ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও মার্কিন গায়ক নিক জোনাস। ২০২২ সালে সারোগেসির মাধ্যমে তাঁদের জীবনে আসে কন্যাসন্তান মালতী মেরি চোপড়া জোনাস। তবে কন্যার জন্মের মুহূর্ত যে এতটা দুঃসহ হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি এই তারকা দম্পতি। মাত্র ২৭ সপ্তাহে জন্ম হয়েছিল মালতীর। জন্মের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই তাকে রাখা হয় এনআইসিইউতে। চিকিৎসকেরা আগেই সতর্ক করেছিলেন সম্ভাব্য জটিলতার বিষয়ে, তবুও সন্তানের এমন সংকটজনক অবস্থা মানতে পারেননি প্রিয়াঙ্কা ও নিক। আনন্দের বদলে তাঁদের জীবন জুড়ে নেমে আসে গভীর উৎকণ্ঠা।

এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানান, “জন্মের সময় মালতীর ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। এনসিইউতে রাখা হয়েছিল জন্মের পর মালতীকে। জানতাম না, মালতীর কী হবে, আদৌ ও বাঁচবে কিনা। টানা তিন মাস ওকে হাসপাতালে আমি আর নিক দেখতে যেতাম। এই সময়ে আমাদের ফোনে একটি মেসেজ আসে। যেখানে বলা হয়, মালতীর জন্মের খবর আমরা যদি নিজেরা না জানাই তাহলে ওর জন্মের খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হবে। আর এই কারণে ওই কঠিন সময়ে আমরা বাধ্য হই আমাদের মেয়ের জন্মের খবর প্রকাশ্যে আনতে।”


প্রিয়াঙ্কা আরও জানান, “আমাদের বাড়িতে একটি বড় শিবের মন্দির আছে। সেখানে অবিরাম প্রার্থনা করে গিয়েছি আমাদের সন্তানের সুস্থতার জন্য। শুধু আমরা নয়, আমাদের পরিবারো এই ঘটনার শরিক ছিল। জীবনের সবথেকে ঙ্কঠিন সময় মনে হয় পেরিয়েছিলাম তখন। জন্মের সময় মালতীর গায়ের রঙ অদ্ভুতভাবে বেগুলি রঙের হয়ে গিয়েছিল। একটা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের আঙুলের থেকে আমার মেয়ে মুখ ছোট ছিল।” সারোগেসির সিদ্ধান্ত নিয়েও কম বিতর্কের মুখে পড়তে হয়নি প্রিয়াঙ্কাকে। নানা কটাক্ষ ও প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করে জানান, শারীরিক জটিলতার কারণেই এই পথ বেছে নিতে হয়েছিল তাঁকে। তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করেন যে এমন চিকিৎসা সহায়তা নেওয়ার সামর্থ্য তাঁর ছিল। একই সঙ্গে সারোগেট মায়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। আজ মালতী সুস্থ ও হাসিখুশি। বিদেশে বেড়ে উঠলেও ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গেও পরিচিত করে তুলছেন মেয়েকে। জীবনের সেই কঠিন অধ্যায় পেরিয়ে এখন মেয়ের হাসিতেই খুঁজে পান সব সুখ—এমনটাই জানালেন প্রিয়াঙ্কা। 

You might also like!