
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:পশ্চিম এশিয়ার সংকটের জেরে জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি শুধু দেশবাসীকেই সংযমের আহ্বান জানাননি, নিজের কনভয়ের গাড়ির সংখ্যাও ৫০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তাকে সামনে রেখেই বুধবার বিজেপি বিধায়করা বাসে করে বিধানসভায় গিয়ে শপথ নেন।
বুধবার ও আগামিকাল বৃহস্পতিবার বিধানসভায় জয়ী প্রার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। জেলাভিত্তিক হিসেবে ভাগ করে বুধবার উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির প্রার্থীরা শপথ গ্রহণ করেছেন। সেই মতো আজ ১৫২ জন বিধায়ক পৌঁছে যান বিধানসভায়। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিন বিধায়করা নিজেদের কনভয় নয়, বরং বিধায়ক হস্টেল থেকে নির্দিষ্ট বাসে রওনা দেন বিধানসভার উদ্দেশে। প্রসঙ্গত, বিধায়কদের জন্য নির্দিষ্ট বাস বরাদ্দ থাকে বরাবর। কিন্তু এই প্রথম মোদির নির্দেশ মেনে এমন পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।
তেলেঙ্গানার এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গোটা বিশ্বে পেট্রল-ডিজেলের দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে। পেট্রল-ডিজেল সংরক্ষণের মাধ্যমে তা কেনার জন্য ব্যয় হওয়া বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচানো আমাদের সকলের দায়িত্ব।” এদিনই প্রধানমন্ত্রী নিজের কনভয়ে বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, বৈদ্যুতিন গাড়ি ব্যবহারের জন্য নতুন করে কোনও গাড়ি কেনা যাবে না।
এসপিজি সূত্রে জানা গিয়েছে, এসপিজি প্রোটোকলের অধীনে নিরাপত্তার কোনও খামতি না রেখে কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমানো হয়েছে। মোদির আবেদনের পর সরকারি ক্ষেত্রেও এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। গাড়ি ছেড়ে মেট্রো, ই-রিকশায় যাতায়াত করতে দেখা গিয়েছে একাধিক মন্ত্রীকে। প্রধানমন্ত্রীর পথে হেঁটে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান-সহ বিজেপির শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরাও তাঁদের গাড়ি বহর কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্রের খবর, মোদির পথে হেঁটেই নিজের কনভয়ের গাড়িতে কাটছাঁটের পথে হাটতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
