Breaking News
 
Giorgia Meloni: মোদি-মেলোনি বন্ধুত্বের চর্চার মাঝেই রসিকতা,‘দিল্লি থেকে ভোটে দাঁড়ান…’, প্রস্তাব উপ-প্রধানমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে বড় ঘোষণা, বাংলায় গড়ে উঠবে জাতীয় মানের ‘বন্দে মাতরম’ মিউজিয়াম Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় নতুন মোড়, কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ Darkest chapter: ৫০ বছর পর ইতিহাসের পাতায় জরুরি অবস্থা, এনসিইআরটি বইয়ে জায়গা পেল ইন্দিরা জমানার বিতর্কিত অধ্যায় Mamata Banerjee: একুশে জুলাইয়ে অস্তিত্বের লড়াই, ‘বেইমান নই’ বার্তায় সংগঠন ধরে রাখতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল CM Suvendu Adhikari: তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, কলকাতা-সহ একাধিক এলাকায় বন্ধ নির্মাণকাজ

 

Travel

2 years ago

Ramdhura :ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে আসুন রামধুরা

Ramdhura travel
Ramdhura travel

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ মেঘের দেশে যদি বাসা বাঁধতে চান, মেঘের বাড়িতে যদি থাকতে চান তবে চলে আসুন রমধুরা। শরীর জুড়ে বইবে শান্তির ধারা। খালিং হোমস্টে যেনো সেই মেঘের বাড়ি। এর ব্যালকনিতে বসে থাকলে পাশের মানুষটিকেও অচেনা লাগবে। চেনা লাগবে শুধু আপনার দিকে তাকিয়ে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। এই রূপের ভাগ কাউকে দিতে ইচ্ছা করবে না। এখনকার খাবার ভীষণ লোভনীয়। তবে ঠান্ডার দাপট খুব। পায়ে হেঁটে গ্রামের পথ ধরে হাঁটুন। হারিয়ে যাবেন ঘন কুয়াশার গভীরে।

 মেঘেদের দেশের এক টুকরো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে চলে আসুন রামধুরায়। ৫৮০০ ফুট উচ্চতায় নিশ্চুপে ঘুমিয়ে গোটা গ্রাম। রামধুরায় প্রকৃতির সঙ্গে বাস করে দেবতাও। ভগবান রামের নামে গ্রাম। আর ‘ধুরা’ মানে গ্রাম। এখানের শিবের শ্বেতশুভ্র মন্দিরে জল ঢালার জন্য জল আনতে যেতে হয় তিস্তায়। যদিও এই শিব মন্দিরে যেতে রামধুরা থেকে একটু ছোট্ট ট্রেক করে নিতে হয়। পাহাড়ি পথ ভেঙে উঠতে হয় উপরে।

রামধুরায় পৌঁছে আপনি প্রতি মুহূর্ত উপভোগ করতে পারবেন। হিমালয়ের কোলে দাঁড়িয়ে থাকা পাইন গাছের সারি এই গ্রামে গিয়ে বাঁচার আনন্দ বাড়িয়ে তোলে। গ্রামের কোলে বসে চোখ রাখা যায় বিস্তৃত হিমালয়ে। আর নিচের দিকে তাকালে দেখা যায় তিস্তার অবিরাম বয়ে যায়। এমন ৩৬০ ডিগ্রি কালিম্পংয়ের গ্রাম থেকে খুব কম পাওয়া যায়। যদিও রামধুরায় সিঙ্কোনা চাষের ক্ষেত রয়েছে। রয়েছে আমলকী, হরীতকী, চিরতার জঙ্গল। সেই জঙ্গলে ডাক শোনা যায় হিমালয়ের বহু পাখির। সেই জঙ্গলে বন্যপ্রাণীরও দেখা মেলে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর রামধুরা। রামধুরায় রাত কাটানোর আর এক মজা লুকিয়ে রয়েছে ট্রেকিংয়ে। এই গ্রাম থেকে ছোট ছোট বেশ কয়েকটি ট্রেক করার সুযোগ রয়েছে। ট্রেক করার ইচ্ছা না থাকলেও বিশ্রাম নিতে পারেন সবুজের মাঝে। এই সবুজের পথ ধরে পায়ে হেঁটে চলে যেতে পারেন ব্রিটিশ আমলের তৈরি জলসা বাংলোয়। এমনকী এই রামধুরা থেকে ট্রেক করে পৌঁছে যেতে পারেন ইচ্ছেগাঁও ও সিলারিগাঁও। এই দুই পাহাড়ি গ্রাম পর্যটকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়।

হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে যে কোনও ট্রেন ধরে নিউ জলপাইগুড়ি চলে যান। এনজেপি থেকে গাড়ি ভাড়া করে কালিম্পং চলে যান। সময় লাগবে মাত্র আড়াই ঘণ্টা। কালিম্পং থেকে রামধুরা মাত্র ১৫ কিলোমিটারের পথ। ডেলো থেকে আরও কাছে রামধুরা। ডেলো থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত রামধুরা। সেবক, রংপো, মনসং হয়ে আপনি পৌঁছে যেতে পারেন রামধুরা। রামধুরায় থাকার জন্য একাধিক হোমস্টে রয়েছে। দৈনিক ভাড়া ২,০০০ টাকা।

You might also like!