Breaking News
 
Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু Kolkata Police :হাতবদল হতেই পরিচয় বদল! কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে অপসারিত ‘দিদি’, জায়গা নিলেন ‘দাদা’ West Bengal Assembly Election Result 2026 :বকেয়া জট কাটল এক লহমায়! শপথের প্রাক্কালে বাংলার উন্নয়ন তহবিলে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত

 

Travel

1 year ago

Monsoon Bengal Travel: বর্ষায় বেড়াতে যাবেন! এই চার জায়গা মাথায় রাখুন

Monsoon Bengal Travel (Symbolic Picture)
Monsoon Bengal Travel (Symbolic Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ এখনও প্যাচপ্যাচে গরম। কিন্তু বর্ষা তো আসবেই। আশায় বাঁচে বাঙালি। হাওয়া অফিসের অনুমান, আগামী সপ্তাহেই মৌসুমী বায়ু বাংলায় প্রবেশ করতে পারে। একবার বৃষ্টির দেখা মিললেই স্বস্তি। তখন আবার মন হবে উড়ুউড়ু। কাছেপিঠে একটু ঘুরে আসতে চাইবে সারাক্ষণ। দুটো দিন ছুটি পেলেই তো হল! কিন্তু যাবেন কোথায়? আছে, আছে। এই বাংলাতেই এমন একাধিক জায়গা আছে, যেখানে বর্ষা সত্যিই সুন্দরী।

জয়পুরের জঙ্গল

বাঁকুড়ার এই জঙ্গল কিন্তু বর্ষায় আরও সুন্দর। পায়ের তলায় সবুজের নরম গালিচা, আর মাথার উপর আকাশ ছোঁয়া শাল, সেগুন, টিকের চাঁদোয়া। আর কী চাই? আরণ্যক জীবনেই খুঁজে পাবেন ছুটির অনাবিল আনন্দ। হরিণের দলও দেখা দিতে পারে। হাতির দেথাও পেয়ে যেতে পারেন। থাকার জন্য রিসর্ট পেয়ে যাবেন। নইলে সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরতে পারেন।

গড়পঞ্চকোট

দিন দুয়েক ছুটি ম্যানেজ করতে পারলে পুরুলিয়ার এই জায়গায় চলে যেতেই পারেন। এমনিতেই বর্ষাসুন্দরী পুরুলিয়া। গড়পঞ্চকোট যেন তার মাথার মুকুটের মতো। বর্তমান পুরুলিয়ার নিতুড়িয়া থানা এলাকার এই জায়গাটি ছিল পঞ্চকোট রাজাদের রাজধানী। মাথা উঁচু দাঁড়িয়ে থাকা পঞ্চকোট মন্দির এবং অজস্র স্থাপত্য সেকথা নীরবে প্রমাণ দিয়ে যায়। পর্যটনের প্রসারে মন্দির সাজিয়ে তুলিয়েছে রাজ্য তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের পূরাতত্ত্ব বিভাগ। টেরাকোটার অপরূপ কাজ পর্যটকদের মন ভরিয়ে দেয়।

মুকুটমণিপুর

একদিকে শাল-পিয়ালের জঙ্গল, অন্যদিকে কংসাবতীর জলাধার। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মুকুটমণিপুর পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণপিপাসু বাঙালিদের যেন হাতছানি দিয়ে ডাকে। বর্ষা এলে এখানেও ঘুরে আসতে পারেন। পরেশনাথ পাহাড়ও রয়েছে। মুসাফিরানা ভিউ পয়েন্ট ও ডিয়ার পার্কও এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।

পারমাদন

সবুজের অক্সিজেন পারমাদন ফরেস্ট বা বিভূতিভূষণ অভয়ারণ্যেও পেয়ে যাবেন। বনগাঁর কাছের এই জায়গা একেবারে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছাকাছি। খুব কাছেই থাকতেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই এই নামকরণ। ইছামতী নদীর গা ঘেঁষে শিমুল, অর্জুন, শিশু, শিরীষ গাছের নিরিবিলিতে দুটো দিন কাটাতেই পারেন। বাঁদর, ময়ূর আর খরগোশের আনাগোনা এই অভয়ারণ্যে। আর রয়েছে অজস্র পাখি। ছবি তোলার শখ থাকলে সঙ্গে রাখুন ক্যামেরা।

এছাড়া হাতে কাছে দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শান্তিনিকেতন তো রয়েইছে। একটু দূরে যেতে চাইলে ডুয়ার্সও যেতে পারেন। বর্ষায় সেখানে সবুজের রাজত্ব থাকে। দামোদর, রূপনারায়ণ এবং হুগলি নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত গাদিয়ারাও বেশ ভালো জায়গা।



You might also like!