Breaking News
 
ssc-omr-sheets : রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রকাশের দিনেই প্রকাশ্যে শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর শিট, বাড়ল বিতর্ক TMC: অষ্টাদশ বিধানসভায় তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন শোভনদেব; গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ-নয়নারা Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

 

Travel

2 years ago

Burdwan's 'Mana Forest': বর্ধমানের 'মানা ফরেস্ট' - জল-জঙ্গল মিলিয়ে অপূর্ব প্রকৃতি

Burdwan's 'Mana Forest' - a beautiful combination of water and forest
Burdwan's 'Mana Forest' - a beautiful combination of water and forest

 

 দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  বর্ষায় সব জঙ্গলের দরজাই বন্ধ। যাওয়া যাচ্ছে না পাহাড়েও। বাধ্য হয়েই সমুদ্র ছুটতে হচ্ছে ভ্রমণ প্রেমীদর। কিন্তু ঘরের কাছেই যে এক সুন্দর জঙ্গল রয়েছে তা অনেকেই জানেন না। কলকাতা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। আবার ফিরে আসা যায়। সেই জায়গার নাম মানা ফরেস্ট।

বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের পাড়ে রয়েছে জায়গাটি। অনেকেই জানেন না সেখানকার কথা। নামও শোনেনি অনেকে। মানা ফরেস্টকে অনেকেই উত্তরবঙ্গের মানাবাড়ির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। কিন্তু মানা ফরেস্ট দক্ষিণবঙ্গের অংশ এবং কলকাতা থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে বর্ধমান জেলায় দামোদর নদের পাড়ে রয়েছে এই জঙ্গল।

এক্কেবারে দামোদরের গা ঘেসে রয়েছে জঙ্গলটি। বর্ষায় টইটুম্বুর দামোদর নদ। যদিও এবার বৃষ্টি কম হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। তাই এখনও জল বাড়েনি দক্ষিণবঙ্গের কোনও নদীতেই। দামোদরেও চরা জলে ভরে যায়নি। কাজেই মানা ফরেস্টে এলে উপরি পাওনা দামোদরের বালির চরে ঘুরে বেড়ানো।

দামোদরের পাড়ে যে এতো সুন্দর একটি জায়গা রয়েছে তা অনেকেই জানেন না। সবুজ গাছগাছািলতে ভর্তি। শীতকালে অনেকেই এখানে পিকনিক করতে আসেন। জঙ্গলের মধ্য দিয়ে নদীর পাড়ে যাওয়ার রাস্তা রয়েছে। অনেকে এই জায়গাটিকে চর মানা ফরেস্ট বা মানা চর বলেও জানেন।দামোদরের জলে স্নান সেরে সেখানেই খাবার দাবার নিয়ে বসে জমিয়ে পিকনিক সেরে ফেলতে পারেন। একে নদীর পাড় আর জঙ্গল বলে শান্ত এবং নিরিবিিলর পাশাপাশি বেশ ঠান্ডাও পরিবেশ। গলদঘর্ম হওয়ার তেমন সম্ভাবনা নেই। নদীর পাড়ে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে ফেলতে পারেন। কাছাকাছি অবশ্য খাবার দোকান নেই। বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে যাওয়াই ভাল।


You might also like!