kolkata

1 hour ago

Baishakhi Banerjee: অভিযোগের চিঠি অভিযুক্তের কাছেই যেত’, মমতাকে নিশানা বৈশাখীর, ভূয়সী প্রশংসা শুভেন্দুর

Baishakhi Banerjee
Baishakhi Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সম্পর্কের সমীকরণ বরাবরই রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয়। একসময় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকলেও পরে দু’জনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক টানাপোড়েনের সময়ে যখন মমতার পাশে একাধিক পুরনো সহযোগীকে দেখা যাচ্ছে না, তখন ফের তাঁর পাশে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নজর কেড়েছে। ডিম হামলার ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে শোভনের দ্রুত ছুটে যাওয়ার ঘটনাও রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। এর মধ্যেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন শোভন ঘনিষ্ঠ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈশাখীর দাবি, তৃণমূল আমলে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার পরিবর্তে সেই চিঠি নাকি অভিযুক্তদের কাছেই পাঠিয়ে দেওয়া হত বলে দাবি তাঁর। ফলে দুর্নীতির অভিযোগ কার্যত হাসির বিষয় হয়ে দাঁড়াত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিমকে নিয়েও নিজের মত প্রকাশ করেছেন বৈশাখী। একই সঙ্গে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও শোনা গিয়েছে তাঁর বক্তব্যে। 

ঠিক কী বলেছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়? একটি সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটো হাতই কাটা গিয়েছে। একজন অরূপ বিশ্বাস, আরেকজন ফিরহাদ হাকিম। শোভনের সব থেকে বড় শত্রু এই দুজনই।” এখানেই থামেননি তিনি। বৈশাখীর দাবি, তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে একাধিকবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। কারণ হিসেবে বৈশাখী দাবি করেন, তাঁর পাঠানো চিঠি নাকি অভিযুক্তের হাতেই তুলে দিতেন মমতা। পরবর্তীতে তাঁরা আবার বৈশাখীকে তা নিয়ে খোঁচাও দিতেন। অর্থাৎ দুর্নীতি রুখতে দলনেত্রী কোনওদিনই কোনও পদক্ষেপ করেননি বলেই দাবি তাঁর।  

পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে দুর্নীতি রুখতে ময়দানে নেমেছেন তাঁর প্রশংসাও করেন বৈশাখী। বলেন, “উনি দুর্দান্ত কাজ করছেন। ওনাকে তো বহুদিন ধরে চিনি, এখন যেভাবে দেখছি তা অনবদ্য।” আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, “যে কোনও দরকারে শুভেন্দুদাকে পাই।” যদিও এই প্রশংসার নেপথ্যে ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে বলেই দাবি বিজেপির একাংশ। এপ্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র বলেন, “কে এখন কেন কী বলছেন, সকলেই তা জানেন, বুঝতেও পারছেন।” 

You might also like!