Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

Game

1 year ago

Eusebio: শনিবার ফুটবল কিংবদন্তি ইউসেবিওর জন্মদিন

Eusebio
Eusebio

 

কলকাতা, ২৩ জানুয়ারি : ইউসেবিও, পুরো নাম ইউসেবিও দা সিলভা ফেরেইরা। একজন প্রাক্তন পর্তুগীজ ফুটবলার। ভক্তরা তাঁকে 'কালো চিতা' , ইংরেজিতে ব্ল্যাক প্যান্থার বলে থাকে। প্রচন্ড গতি, চমৎকার ড্রিবলিং আর নিঁখুত শুটিং-এর জন্য বিখ্যাত এই ফুটবলারকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই স্ট্রাইকার ৪১টি আন্তর্জাতিক গোল করে ছিলেন মাত্র ৬৪ ম্যাচে। তিনি তাঁর ফুটবলীয় জীবনে ৭৪৫টি পেশাদার ম্যাচ খেলে ৭৩৩টি গোল করেছিলেন।

ইউসেবিও দা সিলভা ফেরেইরার জন্ম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (২৫ জানুয়ারি ১৯৪২) পর্তুগালের তৎকালীন উপনিবেশ মোজাম্বিকের মাপুতো শহরে। বাবা লোরিন্দো অ্যান্টনিও দা সিলভা ফেরেইরার ছিলেন অ্যাঙ্গোলিয়ান রেল শ্রমিক। এবং মা এলিসা বেনি ছিলেন আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ। তিনি তাঁর ভাই বোনদের মধ্যে চতুর্থ ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই ইউসেবিওর ছিল ফুটবলের প্রতি অদম্য নেশা।

ক্লাব ফুটবলে বিভিন্ন ক্লাবে খেললেও কেরিয়ারের সেরা সময়ের সম্পূর্ণটাই খেলেছেন পর্তুগালের বেনফিকা ক্লাবে। এই ক্লাবের হয়ে ৩০১টি ম্যাচে তিনি ৩১৭টি গোল করেছেন। বেনফিকার হয়ে তিনি ১৫ বছর খেলেন। এসময় ১০টি লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ ও ৫টি পর্তুগিজ কাপ এবং ১৯৬২ সালে ইউরোপিয়ান কাপ জেতেন ইউসেবিও। বেনফিকার হয়ে তিনি ১৯৬২ ইউরপীয় বর্ষসেরা ফুটবলারের খেতাব অর্জন করেন।

জাতীয় দলের হয়ে ১৯৬১ থেকে ১৯৭৩ সালের মধ্যে মোট ৬৪টি খেলায় তাঁর গোলসংখ্যা ৪১। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে পর্তুগালের তৃতীয় স্থান লাভের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন। এই আসরে তিনি ৬ ম্যাচ খেলে ৯টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হন। এর মাঝে বিশেষভাবে স্মরণীয় উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলাটি। এতে মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যে উত্তর কোরিয়া ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়। এরপরও পর্তুগাল ম্যাচ জেতে ৫-৩ গোলে, যার ৪টি গোল একাই করেছিলেন ইউসেবিও। ইংল্যান্ডের কাছে সেমিফাইনালে ২-১ গোলে হারের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে ২-১ গোলে হারিয়ে আসরে তৃতীয় হয় পর্তুগাল।

ফুটবল জগতে অনেক কীর্তি গড়ে অমর হয়ে থাকা ইউসেবিও হৃদরোগের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কীর্তি গড়তে পারলেন না। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তিনি ৭১ বছর বয়সেই না ফেরার দেশে চলে যান।

You might also like!