Breaking News
 
Giorgia Meloni: মোদি-মেলোনি বন্ধুত্বের চর্চার মাঝেই রসিকতা,‘দিল্লি থেকে ভোটে দাঁড়ান…’, প্রস্তাব উপ-প্রধানমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে বড় ঘোষণা, বাংলায় গড়ে উঠবে জাতীয় মানের ‘বন্দে মাতরম’ মিউজিয়াম Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় নতুন মোড়, কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ Darkest chapter: ৫০ বছর পর ইতিহাসের পাতায় জরুরি অবস্থা, এনসিইআরটি বইয়ে জায়গা পেল ইন্দিরা জমানার বিতর্কিত অধ্যায় Mamata Banerjee: একুশে জুলাইয়ে অস্তিত্বের লড়াই, ‘বেইমান নই’ বার্তায় সংগঠন ধরে রাখতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল CM Suvendu Adhikari: তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, কলকাতা-সহ একাধিক এলাকায় বন্ধ নির্মাণকাজ

 

Entertainment

4 months ago

Film Fraternity Mourns: রহস্যে ঘেরা এমএম বেগের মৃত্যু, নিজ বাসভবন থেকে উদ্ধার পচাগলা দেহ, স্তব্ধ বলিউড

Veteran Filmmaker MM Baig
Veteran Filmmaker MM Baig

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের অন্দরমহলে শোক ও চাঞ্চল্যের আবহ। খ্যাতনামা পরিচালক এমএম বেগ -এর রহস্যমৃত্যু ঘিরে তোলপাড় মায়ানগরী। শুক্রবার সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হানি জাভেরি। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই একাই বসবাস করছিলেন বেগ। শারীরিক অসুস্থতার কারণেও খুব একটা বাইরে বেরোতেন না। টানা কয়েক দিন তাঁকে দেখা না যাওয়ায় সন্দেহ তৈরি হয় প্রতিবেশীদের মধ্যে। পরে বাড়ি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করলে আবাসনের পক্ষ থেকে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকেই উদ্ধার হয় পরিচালকের পচাগলা দেহ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর দেহ কুপার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদেরও খবর দেওয়া হয়েছে।

পিটিআই-কে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় হানি জাভেরি বলেন, “বেশ কিছুদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থায় ভুগছিলেন পরিচালক। যেহেতু চার-পাঁচ দিন ধরে ঘর থেকে বের হননি, তাই প্রতিবেশীরা তার বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পেয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হন। পুলিশ দরজা খুলে বেগ সাহেবের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে এবং তাঁর মেয়েকে খবর দেয়। পরে রাত দেড়টা থেকে দুটো নাগাদ তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুপার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি দারুণ একজন মানুষ ছিলেন। ওঁর বিদেহী আত্মার জন্য প্রার্থনা করছি।” বলিউডে সহকারী পরিচালক হিসেবেই কেরিয়ার শুরু করেছিলেন এমএম বেগ। এক সময় হৃতিক রোশন-কে সংলাপ ও ভয়েস ট্রেনিংয়ে সাহায্য করেছিলেন তিনি, বিশেষত ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’মুক্তির আগে। রোশন পরিবারের সঙ্গে তাঁর ছিল ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এছাড়া জে ওম প্রকাশ, বিমল কুমার এবং রাকেশ রোশনের-এর মতো পরিচালকদের সঙ্গেও কাজ করেছেন।

তাঁর কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে, ‘আদমি খিলোনা হ্যায়’ (১৯৯৩), ‘জয়সি করনি ওয়াইসি ভরনি’ (১৯৮৯), ‘করজ চুকানা হ্যায়’ (১৯৯১), ‘কালা বাজার’ (১৯৮৯), এবং ‘কিষেন কানহাইয়া’র (১৯৯০) মতো বহু সিনেমায় কাজ করেছেন। নাসিরুদ্দিন শাহকে নিয়ে ‘মাসুম গাওয়াহ’ নামে একটি ছবিও পরিচালনা করেন। রহস্যজনক এই মৃত্যুতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু বলতে নারাজ তদন্তকারীরা। এদিকে, বর্ষীয়ান এই পরিচালকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বলিউড মহল।  

You might also like!