Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Country

9 months ago

"Detention To Continue": বাংলাদেশি সন্দেহে ধরপাকড় চলবেই, অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিলনা মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট!

Supreme Court
Supreme Court

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভিনরাজ্যে বাংলাদেশি সন্দেহে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের ধরপাকড় ও হেনস্তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করল না সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, এই মুহূর্তে কোনও নির্দেশ দিলে তা সুদূরপ্রসারী ও  বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, যাঁরা বৈধ নথি-সহ বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হতে পারে যদি এখনই কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়। আবার বেঞ্চ এ-ও বলেছে, “যদি কেউ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন এবং তাঁকে আটক না করা হয়, তবে তিনি সহজেই গা-ঢাকা দিতে পারেন।” এই সব দিক বিবেচনা করেই কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। এর অর্থ, ভিনরাজ্যে বাংলাদেশি সন্দেহে বাঙালিদের ধরপাকড় আপাতত চলতেই থাকবে। 

পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে দাবি করা হয়েছিল, ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া বাংলাভাষী শ্রমিকদের বাংলাদেশি সন্দেহে বেআইনিভাবে আটক ও হেনস্তা করা হচ্ছে। বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্য থেকে এমন অভিযোগ এসেছে বলে মামলায় জানানো হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমিকদের পরিচয় যাচাই না করেই ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। সুপ্রিম কোর্ট যদিও কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি, তবে কেন্দ্র ও সমস্ত রাজ্য সরকারকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে বলেছে। আদালত জানতে চেয়েছে, এই বিষয়ে তাদের অবস্থান কী। 

শীর্ষ আদালতের মত, যারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাসন দেওয়া উচিত। পাশাপাশি, যে রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ করছেন, সেই রাজ্যের সরকার শ্রমিকদের পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য জানার অধিকার রাখে বলেও মন্তব্য করেছে বেঞ্চ। ফলে আপাতত বাংলাদেশি সন্দেহে ধরপাকড়ের বিরুদ্ধে কোনও রক্ষাকবচ পাওয়া গেল না। জনস্বার্থ মামলার পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টির ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।

You might also like!