West Bengal

1 week ago

Calcutta High Court: এজলাসে বিশৃঙ্খলা রুখতে জাস্টিসের কড়া দাওয়াই! বুধবার আইপ্যাক মামলার লাইভ স্ট্রিমিং—কারা থাকতে পারবেন শুনানিতে?

Calcutta High Court
Calcutta High Court

 

কলকাতা: গত শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে আইপ্যাক সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে যে চরম বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোল হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপ করল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী কাল, বুধবার এই মামলার শুনানির সময় এজলাসে ভিড় এড়াতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে একগুচ্ছ বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।

৫ নম্বর কক্ষে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানি হবে। মামলার শুনানি যাতে সাধারণ মানুষ দেখতে পান, সেজন্য লাইভ স্ট্রিমিং হবে। তেমনই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ‘চুক্তিবদ্ধ’ ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈন ও সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার পরেই অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই বিজেপি ইডিকে ব্যবহার করে ভোটের রণকৌশল, প্রার্থী তালিকা চুরি করছে বলে অভিযোগ তুলে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পালটা ইডির দাবি, কয়লা পাচার মামলায় এই অভিযান। গোটা ঘটনার জল গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত।

গত ৯ জানুয়ারি কলকাতা হাই কোর্টে এই মামলার শুনানি হয়। সেই শুনানি চলাকালীন এজলাসেই নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছিল। ইডি বনাম তৃণমূল মামলার শুনানি চলাকালীন এজলাসে বেনজির বিশৃঙ্খলা! চেয়ার ছেড়ে উঠে যান বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। ফলে তুমুল হট্টগোলের জেরে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মামলা মুলতুবি করে দেন বিচারপতি ঘোষ। আইপ্যাকের অফিস এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি অভিযানকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করা হয়েছে শাসক শিবিরের তরফে। আবেদনে তৃণমূলের দাবি ছিল, আইপ্যাক তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে আইপ্যাকের কাছে দলের নানা তথ্য, নথি ছিল। বিজেপি ইডিকে কাজে লাগিয়ে সেসব লুটের চেষ্টা করেছে বলেও অভিযোগ জানানো হয়।

পালটা তদন্তে বাধার অভিযোগ নিয়ে হাই কোর্টে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ঘটনায় সিবিআই তদন্ত জানিয়ে মামলা দায়ের করে। গত শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে দুটি মামলারই একসঙ্গে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই মামলার শুনানি শুরু হতেই এজলাসে বেনজির বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। যারা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁরাও এজলাসে ভিড় করে ঢুকে পড়েন। বারবার এজলাস খালি করার কথা বলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। এমনকী কোর্ট অফিসাররাও এজলাস খালি করার আবেদন জানান। কিন্তু তুমুল চিৎকার চেঁচামেচিতে এজলাস ছেড়েছিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।

You might also like!