West Bengal

1 day ago

School Education Department: শিক্ষক দিবসেই শিক্ষকের গায়ে হাত! প্রধান শিক্ষককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, অ্যাকশনে স্কুলশিক্ষা দপ্তর

Probe against harassment of headmaster
Probe against harassment of headmaster

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  জলপাইগুড়ির একটি স্কুলে প্রধান শিক্ষককে হেনস্তার ঘটনায় এবার নড়েচড়ে বসল স্কুলশিক্ষা দপ্তর। ছাত্রদের আচরণের সেই লজ্জাজনক ছবি প্রকাশ্যে আসতেই বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে তীব্র নিন্দা। ঘটনার তদন্তে স্কুলে সরেজমিনে পৌঁছেছে জেলা স্কুল পরিদর্শকের একটি দল। প্রধান শিক্ষককে ঠেলে ফেলে দেওয়ার আগে ঠিক কী ঘটেছিল, কোন পরিস্থিতিতে ছাত্ররা এমন আচরণ করল, তা খতিয়ে দেখতে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। পাশাপাশি, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের কোনও অভিযোগ ছিল কি না, থাকলে তার ভিত্তি কী, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যের আসল কারণ খুঁজে বের করতেই গোটা বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল। 

বুধবার স্কুলশিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, পরিদর্শক টিম জলপাইগুড়ির ওই স্কুলে পৌঁছে যায়। স্কুল পরিদর্শক সুজিত সরকারের নেতৃত্বে ঘটনার তদন্ত শুরু হয় এদিন। স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন পরিদর্শক। ঘটনার আগে ঠিক কী ঘটেছিল, কারা তা প্রত্যক্ষ করেছেন, ছাত্রদের কী অভিযোগ ছিল, প্রধান শিক্ষককে প্রহারের আগে কেন তাদের থামানো গেল না? এসব যাবতীয় প্রশ্ন এদিন তদন্তের আওতায় উঠে আসে বলে জানা গিয়েছে। শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, গোটা ঘটনার ক্রমপর্যায় খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। জলপাইগুড়ির জেলা স্কুল পরিদর্শককে নির্দেশ স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিব বিনোদ কুমারের। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জখম প্রধান শিক্ষিক ধর্মুচাঁদ বারুই। 

মঙ্গলবার শিক্ষক দিবসের বিশেষ খাওয়াদাওয়াকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাধে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলে। স্কুলে মিড ডে মিলের ঘরে শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বিশেষ খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। বেশ কয়েকজন ছাত্র মিড ডে মিলের ঘরে উঁকি দেওয়ায় তাদের বেধড়ক মারধর করেন প্রধান শিক্ষক। এই অভিযোগকে ঘিরে পালটা প্রধান শিক্ষকের উপর চড়াও হয় ছাত্ররা। তাঁকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। স্কুলেও ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা। পরে পুলিশ এসে প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে। তাঁকে জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ধর্মুচাঁদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন সময় প্রতিবাদে সরব হন স্কুলের শিক্ষক, অবিভাবক, ছাত্ররা। এবার দেখার, তদন্তের রিপোর্ট স্কুলশিক্ষা দপ্তরে কী তথ্য পেশ করে পরিদর্শক দল।


 


You might also like!