
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন Dilip Ghosh। বিষয়টি ঘিরে দলে অভ্যন্তরীণ বিতর্কও তৈরি হয়েছিল এবং তিনি কিছুটা সমালোচনার মুখেও পড়েন।আর স্বামীর এই জয়ে উচ্ছ্বসিত স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। বললেন, ‘এটাই বিয়ের সেরা রিটার্ন গিফট।’
বাংলায় বিজেপির উত্থানের নেপথ্যে অন্যতম কারিগরদের মধ্যে নিঃসন্দেহে দিলীপ ঘোষ একজন। তাঁর হাত ধরেই ধীরে ধীরে রাজ্যে জমি শক্ত করেছে পদ্মশিবির। পরবর্তীতে নতুন মুখেদের আগমনে খানিকটা হলেও ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। বলা ভালো, তাঁকে কোণঠাসা করা হয়েছিল। চব্বিশে তার ফলে খানিকটা ধাক্কাও খেতে হয়েছিল বিজেপিকে। এসবের মাঝেই আচমকা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন দিলীপ। শোনা যায়, শীর্ষ নেতৃত্ব তা নিয়ে প্রথমদিকে খানিক আপত্তিও করেছিল। কিন্তু দিলীপ কোনওদিনই সেসবের তোয়াক্কা করেননি। পরবর্তীতে দলের সঙ্গে মান-অভিমান কমেছে। ছাব্বিশের বৈতরণী পার করতে দিলীপকে যে লাগবেই, তা ভালোই বুঝেছিল দল। তাই মান ভাঙানোর পাশাপাশি পছন্দের খড়গপুর সদর আসন তাঁকেই দিয়েছে দল।
এবারও নিজের রাজনৈতিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন দিলীপ। ৩০ হাজারের বেশি মার্জিনে জিতেছেন তিনি। স্বামীর এই জয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছেন দিলীপজায়া রিঙ্কু। বলছেন, এটাই নাকি তাঁর বিয়ের সেরা রিটার্ন গিফট। এখন প্রশ্ন একটাই, বাংলায় সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এবার কি মন্ত্রিত্ব পাবেন দাবাং দিলীপ? এনিয়ে মুখ খুলতে নারাজ দিলীপ। তাঁর সাফ কথা, “আগে মন্ত্রিসভা গঠন হোক, তারপর দেখা যাবে। দল আমাকে বিধায়ক হওয়ার জন্য টিকিট দিয়েছিল, আমি জিতে সেটাই দলকে ফিরিয়ে দিয়েছি।” তবে বুধবার সকালেই ফের চেনা মেজাজে ধরা দিয়েছেন দিলীপ। প্রতিদিনের মতো ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণ করেছেন। এদিন পুলিশ কর্মীদের মিষ্টিমুখও করান তিনি। চেনা মেজাজে এদিনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন তিনি। বললেন, “উনি কাউকে বিশ্বাস করেননি, তাই বাংলার মানুষও ওকে বিশ্বাস করেনি।”
