Breaking News
 
Giorgia Meloni: মোদি-মেলোনি বন্ধুত্বের চর্চার মাঝেই রসিকতা,‘দিল্লি থেকে ভোটে দাঁড়ান…’, প্রস্তাব উপ-প্রধানমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে বড় ঘোষণা, বাংলায় গড়ে উঠবে জাতীয় মানের ‘বন্দে মাতরম’ মিউজিয়াম Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় নতুন মোড়, কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ Darkest chapter: ৫০ বছর পর ইতিহাসের পাতায় জরুরি অবস্থা, এনসিইআরটি বইয়ে জায়গা পেল ইন্দিরা জমানার বিতর্কিত অধ্যায় Mamata Banerjee: একুশে জুলাইয়ে অস্তিত্বের লড়াই, ‘বেইমান নই’ বার্তায় সংগঠন ধরে রাখতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল CM Suvendu Adhikari: তারাতলা বিপর্যয়ের পর বড় সিদ্ধান্ত সরকারের, কলকাতা-সহ একাধিক এলাকায় বন্ধ নির্মাণকাজ

 

kolkata

6 months ago

Primary TET: হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষকদের স্বস্তি, চাকরি বাতিলের নির্দেশ খারিজ

Big verdict on TET appointment case today
Big verdict on TET appointment case today

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য স্বস্তির খবর। হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্র একক বেঞ্চের নির্দেশ বাতিল করে জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের টেটের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক স্বপদে বহাল থাকবে।  বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, “দীর্ঘ ৯ বছর পর চাকরি বাতিল করলে পরিবারগুলির উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে।” তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে দুর্নীতির তদন্ত অব্যাহত থাকবে। 

সরকারি আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী জানান, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী দুর্নীতির জন্য ৩২ হাজার প্রাথমিক চাকরি বাতিল করা হয়। কর্তৃপক্ষের ভুল কিংবা দুর্নীতির জন্য নিরীহ চাকুরিরতদের চাকরি বাতিল হতে পারে না। যাঁরা সফল হননি, তাঁদের জন্য সব কিছু ড্যামেজ হতে পারে না। এতদিন ধরে যাঁরা চাকরি করছেন, তাঁরা কোনও প্রভাবশালীদের সঙ্গে যুক্ত নন। তাই তাঁদের চাকরি বহাল থাকবে বলেই জানায় ডিভিশন বেঞ্চ। অপরদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু X হ্যান্ডেলে প্রাথমিক শিক্ষকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, “সত‍্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে।” 

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেটের ভিত্তিতে ২০১৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রায় ৪২,৫০০ শিক্ষক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ২০২৩ সালের মে মাসে তখনকার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৩২ হাজার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর ডিভিশন বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাকরি বহাল রাখার জন্য পর্ষদ আবেদন করে। তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে।  

তবে শেষপর্যন্ত, বুধবার বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে রায়দানের মাধ্যমে হাই কোর্টের নির্দেশে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও, কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্বপদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।  স্বাভাবিকভাবেই এই রায়ে শিক্ষকরা স্বস্তিতে থাকলেও, দুর্নীতি তদন্ত চলবে কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে। 

You might also like!