Breaking News
 
Suvendu Adhikari helicopter diversion: আবহাওয়ার চোখরাঙানি, কালিম্পংয়ে নামল না মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার! অবতরণ উত্তরকন্যায় CM Suvendu Adhikari: ‘গ্রেপ্তার করে লুটের টাকা ফেরত’! জিটিএ দুর্নীতিতে এবার কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির PM Modi Gujarat-Maharashtra Visit: ‘আড়ি আড়ি’ গানে মোদিকে স্বাগত! ভদোদরার মঞ্চে কংগ্রেসকে তুলোধোনা, উন্নয়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর Vijay Stalin Gesture Row: ‘ভাঙা চোয়াল’ নিয়ে স্ট্যালিনকে কটাক্ষ! বিধানসভায় বিজয়ের মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক Dilip Ghosh: ‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’! দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে সুর চড়ালেন দিলীপ

 

Country

1 day ago

Supreme Court: ‘সুপ্রিম’ স্বস্তি মিলল না কালীঘাট তৃণমূলের! ক্যামাক স্ট্রিট মামলায় ভরসা এখন হাই কোর্ট

Supreme Court on Camac Street case
Supreme Court on Camac Street case

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের। বোর্ড খোলা সংক্রান্ত মামলায় এদিন কোনও হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি ভি. মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মামলাটি কলকাতা হাই কোর্টেই শুনানি হবে। তবে বিষয়টির সঙ্গে জড়িত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কথা বিবেচনা করে হাই কোর্টকে দ্রুত মামলাটির শুনানি করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এদিনের সওয়াল-জবাবেও মামলাকে ঘিরে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। 

কালীঘাট তৃণমূলের হয়ে এদিন সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি জানান, ভবনটি লিজ নেওয়া হয়েছে। সেখানে অফিস চলছে। আর সেই অফিসেই কেন রেজিস্টার্ড পার্টির বোর্ড রাখা যাবে না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী। এই প্রসঙ্গে বেশ কিছু উদাহরণ তুলে ধরেন। কপিল সিব্বল বলেন, তৃণমূলের যেখানে বোর্ড ছিল, তার পাশেই হলদিরামের একটি বোর্ড ছিল। কিন্তু তা খোলা হয়নি। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করেন আইনজীবী। যদিও প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানায়, হাই কোর্টে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। এখনও তা খারিজ হয়নি। ফলত আবেদনকারীদের কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেয় আদালত। 

বলে রাখা প্রয়োজন, ক্যামাক স্ট্রিটে তিন হাজার স্কোয়ার ফুটের বেশি জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস রয়েছে। তৃণমূল আমলে এই অফিস থেকেই নানান ‘নির্দেশ’ যেত জেলায় জেলায়, নেতাদের কাছে। সেই বাড়ির মাথায় জ্বলজ্বল করত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা একটি সাইনবোর্ড। গত ২৭ আগস্ট বিকেলে সেই সাইনবোর্ডই ভেঙে দেয় কলকাতা পুরসভা। কাজটা অবশ্য নির্বিবাদে হয়নি। দফায় দফায় বচসায় জড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয় পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীদের। সিঁড়িতে শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ অন্যরা। বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কোনও বাধাই কাজে আসেনি। তারা বিলবোর্ড খুলে দেয়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তর থেকে বিলবোর্ড খোলার ঘটনায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। হাই কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের বক্তব্য ছিল, বিলবোর্ডটি আবার আগের জায়গায় লাগিয়ে দেওয়া হোক। অন্য দিকে, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই ভবনের মালিক হাই কোর্টে জানান, বিলবোর্ড ঝোলানো হয়েছিল তাঁর অনুমতি ছাড়াই। তবে সেই মামলায় হস্তক্ষেপই করেনি কলকাতা হাই কোর্ট। এরপরই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট শিবির। 

You might also like!