
পাটনা, ৮ মে : সম্রাট চৌধুরী সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর গত রাতে মন্ত্রীদের মধ্যে দফতর বণ্টন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী স্বরাষ্ট্র, সাধারণ প্রশাসন এবং নজরদারির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলি নিজের হাতে রেখেছেন। এবারের দফতর বণ্টনে একটি বড় রদবদল লক্ষ্য করা গেছে। ঐতিহ্যগতভাবে জেডিইউ-এর কাছে থাকা শিক্ষা দফতর এবার বিজেপির হাতে এবং বিজেপির কাছে থাকা স্বাস্থ্য দফতর এবার জেডিইউ-এর ঝুলিতে গিয়েছে।
বিহারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের পুত্র নিশান্ত কুমারকে স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মিথিলেশ তিওয়ারি হয়েছেন রাজ্যের নতুন শিক্ষামন্ত্রী। প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সিনহাকে কৃষি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নীতিশ মিশ্রকে নগর উন্নয়ন ও আবাসন এবং দিলীপ জয়সওয়ালকে রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রামকৃপাল যাদব পেয়েছেন সমবায় বিভাগ এবং বুলো মন্ডলকে জ্বালানি মন্ত্রী করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার শৈলেন্দ্র কুমার সড়ক নির্মাণ এবং বিজয় কুমার চৌধুরী জলসম্পদ ও সংসদীয় বিষয় দফতরের দায়িত্ব সামলাবেন। লেশি সিংকে ভবন নির্মাণ এবং দামোদর রাওয়াতকে পরিবহন মন্ত্রী করা হয়েছে।
শ্রবণ কুমারের বিভাগ অপরিবর্তিত রয়েছে, তিনি পল্লী উন্নয়ন দফতরেই থাকছেন। সঞ্জয় সিং টাইগার উচ্চশিক্ষা ও আইন এবং অশোক চৌধুরী খাদ্য ও উপভোক্তা সুরক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন। ভগবান সিং কুশওয়াহাকে পরিকল্পনা ও উন্নয়ন এবং মদন সাহনিকে আবগারি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগ দেওয়া হয়েছে। সন্তোষ কুমার সুমন ক্ষুদ্র জলসম্পদ এবং রমা নিষাদ অনগ্রসর ও অতি অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন। রত্নেশ সদা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং শীলা মন্ডল বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী হয়েছেন। কেদার প্রসাদ গুপ্ত পর্যটন এবং সুনীল কুমার গ্রামীণ কাজ বিভাগ সামলাবেন।
জাতীয় শ্যুটার শ্রেয়সী সিং শিল্প ও ক্রীড়া মন্ত্রী হয়েছেন। একমাত্র সংখ্যালঘু মুখ হিসেবে মহম্মদ জামা খান সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতর পেয়েছেন। নন্দ কিশোর রাম দুগ্ধ, মৎস্য ও পশুপালন এবং প্রমোদ কুমার খনি, ভূতত্ত্ব ও সংস্কৃতি দফতরের দায়িত্ব পেয়েছেন। শ্বেতা গুপ্ত সমাজকল্যাণ, দীপক প্রকাশ পঞ্চায়েতি রাজ, সঞ্জয় কুমার চিনি শিল্প, সঞ্জয় কুমার সিং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল এবং রামচন্দ্র প্রসাদ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন দফতরের দায়িত্ব সামলাবেন। বিহারে নতুন সরকারের এই দফতর বণ্টনের পর প্রশাসনিক স্তরে কর্মতৎপরতা বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
