
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভোরের আলো ফোটার আগেই ইমেলে এল দুঃসংবাদ। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বদলে গেল বহু কর্মীর কর্মজীবনের সমীকরণ। জনপ্রিয় ই-কমার্স সংস্থা আমাজনে ফের কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বুধবার সকালে ইমেল ও মেসেজের মাধ্যমে ছাঁটাইয়ের খবর জানতে পারেন সংস্থার ডিভাইসেস অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের কর্মীরা। সূত্রের খবর, এই দফায় প্রায় ২৫০টি পদে কোপ পড়েছে, যার মধ্যে মূলত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা রয়েছেন। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কাজের দক্ষতা বাড়ানো এবং ভবিষ্যতের পণ্য পরিকল্পনার সঙ্গে কর্মী কাঠামোর সামঞ্জস্য রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। অক্টোবরের শুরুতে রিটেল বিভাগে প্রায় ১,০০০ পদ ছাঁটাইয়ের পর ফের এই পদক্ষেপে কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।
একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মূলত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের উপরই কোপ পড়েছে। বুধবার এক ধাক্কায় চারকি হারিয়েছেন প্রায় ২৫০ জন কর্মী। কিন্তু কী কারণে, তাঁদের ছাঁটাই করা হল, তা বিস্তারিত জানায়নি সংস্থা। আমাজনের এক মুখপাত্র বলেন, “আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে এবং আমাদের রোডম্যাপের সঙ্গে আরও ভালোভাবে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।” বলে রাখা ভালো, এদিন অ্যালেক্সা-চালিত একটি নতুন অ্যালার্ম ঘড়ি ও ফটো ফ্রেম বাজারে আনার ঘোষণা করেছে আমাজন।
চলতি মাসের শুরুতে মূল খুচরো বিক্রয় বিভাগ থেকে প্রায় ১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে আমাজন। তার মধ্যেই ফের কর্মী ছাঁটাই। সূত্রের দাবি, ব্যায় সঙ্কোচের কথা আমাজন বললেও এর নেপথ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই রয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এআই গবেষণায় ব্যাপক টাকা ঢালতে শুরু করেছেন আমাজন কর্তা জেফ বেজোস। সব মিলিয়ে ওই খাতে বিনিয়োগের অঙ্ক ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। এই বিপুল বিনিয়োগকে সমতা আনাটাও ছাঁটাইয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। আর এমনটা যে হবে সেটা কিন্তু বেজোস আগেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন।
