Breaking News
 
TMC :কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবির! প্রতীক বিতর্কে থানায় অভিযোগ, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা Giorgia Meloni: মোদি-মেলোনি বন্ধুত্বের চর্চার মাঝেই রসিকতা,‘দিল্লি থেকে ভোটে দাঁড়ান…’, প্রস্তাব উপ-প্রধানমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মজয়ন্তীতে বড় ঘোষণা, বাংলায় গড়ে উঠবে জাতীয় মানের ‘বন্দে মাতরম’ মিউজিয়াম Abhishek Banerjee: ডিজে মামলায় নতুন মোড়, কণ্ঠস্বরের নমুনা নিয়ে হাই কোর্টে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ Darkest chapter: ৫০ বছর পর ইতিহাসের পাতায় জরুরি অবস্থা, এনসিইআরটি বইয়ে জায়গা পেল ইন্দিরা জমানার বিতর্কিত অধ্যায় Mamata Banerjee: একুশে জুলাইয়ে অস্তিত্বের লড়াই, ‘বেইমান নই’ বার্তায় সংগঠন ধরে রাখতে মরিয়া কালীঘাট তৃণমূল

 

Travel

2 years ago

Mirik:মিরিকে আছে নয়নাভিরাম 'সুমেন্দু লেক' - বেড়ানোর নতুন জায়গা

Shikara will be held in Sumendu lake in Mirik
Shikara will be held in Sumendu lake in Mirik

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পুজোতে পাহাড় প্রায় সকলেই পছন্দ। কিন্তু অনেকেই পাহাড়ে একটু অফবিট জায়গা পছন্দ করেন। তাদের জন্য আজ বেড়ানোর নতুন ঠিকানা মিরিকের এই 'সুমেন্দু লেক।'সবুজ পাইনের জঙ্গলে ঘেরা এই হ্রদ অসাধারণ সৌন্দর্যের অধিকারী।

গত দু’ বছরে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পাহাড়ের পর্যটন শিল্প। দেখতে গেলে বেশির ভাগ পাহাড়ি জনপদের আর্থিক উন্নয়নের পথ হল ওই অঞ্চলের পর্যটন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করে তোলা। যদিও এই দিক দিয়ে মিরিক অনেক উন্নত এবং পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এবার মিরিকের পর্যটন ব্যবস্থাকে আরও চাঙ্গা করতে কাশ্মীরের ডাল লেকের মত মিরিকের সুমেন্দু লেকেও শুরু হয়েছে শিকারা পরিষেবা।

গত মার্চ মাসের শেষ থেকেই শুরু হয়েছে এই শিকারা পরিষেবা। কিন্তু এই পরিষেবাকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, পর্যটকদের আকর্ষণ করতে আরও কী-কী করা প্রয়োজন মিরিকের পর্যটন শিল্পে এই নিয়ে এখনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জিটিএ-এর তরফ থেকে জানা গিয়েছে, মিরিকের পর্যটন ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে পর্যটকের সুরক্ষার দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। ৩০ মিনিটে শিকারায় করে ঘুরতে খরচ হবে মাত্র ৫০০ টাকা। এর পাশাপাশি মিরিকে কয়েকটি হোমস্টে তৈরির চিন্তাভাবনাও করেছে জিটিএ।

পাইনে ঘেরা অরণ্য। উঁচু-নিচু পাহাড়ের ঢাল আর সেই পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে যাচ্ছে চা বাগান। ভিউ পয়েন্ট থেকে যাচ্ছে তুষারাবৃত রাজকীয় কাঞ্চনজঙ্ঘা। ৫,৮০০ ফুট উচ্চতায় বসে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত, দুটোই হতে আপনার জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত। কয়েক বছর আগেও দার্জিলিং যাওয়ার পথে অনেকে শুধু ঢুঁ মারতেন এই হ্রদের শহরে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। রাত কাটানোর জন্য যেমন হোটেল, হোমস্টে তৈরি হয়েছে, তেমনই সেজে উঠছে এই পাহাড়ি জনপদ।

দার্জিলিং থেকে মিরিকের দূরত্ব মাত্র ৪৯ কিলোমিটার। কার্শিয়াং বা ঘুম থেকেও এই হ্রদের শহরের দূরত্ব মোটামুটি ৪৫ কিলোমিটারের মধ্যে। যদিও এখন দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পংয়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ‘অফবিট’ পাহাড়ি গ্রামগুলো জনপ্রিয়তা বেড়েছে। তবুও মিরিকের জনপ্রিয়তা কমে যায়নি এখনও। কংক্রিটের শহর থেকে দূরে নিরিবিলিতে দু’দিন ছুটি কাটানোর জন্য বেছে নিতে পারেন মিরিককে।


You might also like!