Life Style News

4 days ago

Parenting Tips: সন্তানের মুখ চেয়ে অসুখী দাম্পত্য? জেনে নিন শিশুকে বোঝানোর কৌশল

Child Guidance in Unhappy Marriage
Child Guidance in Unhappy Marriage

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ভালোবাসা দিয়েই শুরু হয়েছিল পথচলা। এক ছাদের নীচে গড়ে উঠেছিল স্বপ্নের সংসার। সময়ের সঙ্গে দু’জন থেকে তিন, সন্তানের আগমনে আরও পূর্ণ হয়েছিল পরিবার। অথচ সেই সম্পর্কেই ধীরে ধীরে জমেছে দূরত্ব। নিত্যদিনের অশান্তি, মানসিক চাপ আর না-বলা অভিমানে আজ সবচেয়ে কাছের মানুষটাই যেন হয়ে উঠেছেন সবচেয়ে অচেনা। অনেক দম্পতির কাছেই এখন একটাই প্রশ্ন—একসঙ্গে থাকা কি আদৌ সম্ভব? নাকি বিচ্ছেদই একমাত্র রাস্তা?

তবে সিদ্ধান্তের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সন্তান। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ সে কীভাবে নেবে? মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে না তো? এই দ্বিধাদ্বন্দ্বেই আটকে থাকেন বহু মা। বিশেষ করে ‘একলা মা’ হওয়ার আশঙ্কা, সামাজিক চাপ আর সন্তানের ভবিষ্যৎ—সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া আরও কঠিন হয়ে ওঠে।একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে কীভাবে সন্তানকে বোঝাবেন, আপনার জন্য রইল টিপস।


১. দাম্পত্য অশান্তি খুদের থেকে দূরে রাখাই ভালো। তার সামনে চিৎকার, চেঁচামেচি, একে অপরকে দোষারোপ করবেন না। তাতে খুদের আতঙ্ক তৈরি হয়। যা মানসিক অবসাদ তৈরিরও কারণ হয়ে উঠতে পারে।

২. বিচ্ছেদই যে আপনাদের দাম্পত্য সম্পর্কের ভবিতব্য়, তা সন্তানকে স্পষ্টভাবে বোঝান। তাকে কিছু লুকোবেন না। ধীরে ধীরে মানসিক প্রস্তুতি নিতে দিন। তাকে জিজ্ঞাসা করুন, আপনার সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত কিনা।

৩. বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া নিয়ে তার নানা কৌতূহল তৈরি হতে পারে। সে আপনাকে নানা প্রশ্নও করতে পারে। কখনও বিরক্ত হবেন না। যা হচ্ছে, সহজভাবে তার মতো করে বুঝিয়ে বলুন।

৪. বহু সন্তান ভাবে বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের জন্য সে দায়ী। তাকে বোঝান এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। দু’টি মানুষের বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত। এছাড়া আর কেউ দায়ী নয়। তাকে বোঝান স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ হলেও, আজীবন দু’জনে আপনারা তাঁর বাবা-মা থেকে যাবেন। তাই সে চাইলে পাশে পাবে দু’জনকেই।

৫. বাবা-মায়ের বিচ্ছেদে বহু খুদের আচরণগত পার্থক্য তৈরি হয়। আচমকা বাবা-মায়ের সম্পর্কের সমীকরণ বদলে সন্তান খিটখিটে হয়ে যায়। হিংস্রও হয়ে ওঠে কেউ কেউ। তাই তাকে বেশি করে সময় দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৬. আপনি তার দুঃখ বুঝতে পারছেন, সেকথা বলুন। তাতে সে বুঝতে পারবে আপনিও তার যন্ত্রণার সঙ্গী। এরপর তাকে বোঝান এই সমস্যা নিয়ে ভেবেচিন্তে দিন কাটালে হবে না। ধীরে ধীরে এই বিষয়ে ভাবনাচিন্তা কমাতে হবে।

You might also like!