West Bengal

1 hour ago

Satabdi Roy :হাত ছেড়েছেন, সম্পর্ক নয়! মমতাকে নিয়ে শতাব্দীর মন্তব্যে নতুন জল্পনা

Satabdi Roy
Satabdi Roy

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের জল্পনার মাঝেই নিজের আবেগের কথা প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী তথা বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বাধীন বিক্ষুব্ধ শিবিরের অন্যতম মুখ হিসেবে তাঁর নাম উঠে এলেও, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার স্মৃতি ও ‘দিদি’ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যে আবেগের ছাপ স্পষ্ট বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

উল্লেখ্য, গত সোমবার দিল্লিতে শতাব্দী রায়ের বাসভবনেই বিক্ষুব্ধ সাংসদদের একটি বৈঠক হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। সেই বৈঠকের পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নিজের অবস্থান ও অনুভূতির কথা খোলাখুলিভাবে জানিয়েছেন শতাব্দী, যা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।রাজনৈতিক মহলে অনেকেই আলোচনা করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে শতাব্দী রায়ের রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠা হত না, সাংসদ হওয়া তো দূরের কথা। আর আজ যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কাছে শতাধিক আসনের ফারাকে হেরে গিয়েছে, তখন সেই তৃণমূল নেত্রী তথা ‘দিদি’ মমতাকে ছেড়ে এসে কি ঠিক করেছেন শতাব্দী? ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলছেন, রাজনৈতিক দিক থেকে ঠিকই করেছি। তবে আবেগ দিয়ে ভাবলে নীতিগত দিক থেকে হয়ত ঠিক নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমস্ত মিটিং মিছিলে তাঁকে সামনে সারিতে দেখা যেত, আজ শুভেন্দুর সঙ্গে বৈঠক করার পর সেই শতাব্দী রায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মমতাকে কি বার্তা দিতে চান তিনি? উত্তরের সাংসদ বলেন, ”মিস ইউ দিদি।”

ওই সাক্ষাৎকারে বিদ্রোহী এই সাংসদ স্পষ্ট জানান, যেদিন কালীঘাটের বৈঠকে যাই, সেদিনই বুঝে গিয়েছিলাম, তৃণমূলের সঙ্গে আর নয়। ঠিক কি চেয়েছিলেন দলনেত্রীর কাছ থেকে? তাঁর বক্তব্য, ”আমরা চেয়েছিলাম হারের কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হোক। আইপ্যাক এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে আলোচনা হোক। দুর্নীতি একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু দলনেত্রী এই বিষয়ে আলোচনায় রাজি হননি। সেদিনই বুঝেছিলাম, এই দলে কোনও পরিবর্তন, কোনও নতুন ধারণা কিংবা রদবদল চান না। এভাবেই সব চলতে থাকবে।” তবে এই সমস্ত রাজনীতি বা নীতির কথা পিছনে ফেলে দিলে আবেগের দিক থেকে মমতাকে ছেড়ে আসার পিছনে একটা খারাপ লাগা রয়েছে শতাব্দীর। তিনি মানেন, আবেগের দিক থেকে বিষয়টি খুব একটা সহজ নয়। শতাব্দী বলেন, ”মানতে পারছি না যে আমি দিদির সঙ্গে নেই। আমার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য খারাপ লাগছে।” তবে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাবে কিনা সেই প্রশ্নের উত্তরে শতাব্দী বলেন, ”এখন কোনও অপশন নেই, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করাই একমাত্র উপায়।” তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিনই কোনও জোটে নিজেকে সেকেন্ড ম্যান হিসেবে রাখতে চাইবেন না বলেই দাবি বিদ্রোহী সাংসদের।

You might also like!