Breaking News
 
Suvendu Adhikari helicopter diversion: আবহাওয়ার চোখরাঙানি, কালিম্পংয়ে নামল না মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার! অবতরণ উত্তরকন্যায় CM Suvendu Adhikari: ‘গ্রেপ্তার করে লুটের টাকা ফেরত’! জিটিএ দুর্নীতিতে এবার কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির PM Modi Gujarat-Maharashtra Visit: ‘আড়ি আড়ি’ গানে মোদিকে স্বাগত! ভদোদরার মঞ্চে কংগ্রেসকে তুলোধোনা, উন্নয়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর Vijay Stalin Gesture Row: ‘ভাঙা চোয়াল’ নিয়ে স্ট্যালিনকে কটাক্ষ! বিধানসভায় বিজয়ের মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক Dilip Ghosh: ‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’! দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে সুর চড়ালেন দিলীপ

 

West Bengal

2 weeks ago

Pakistani Spy Network: পাক গুপ্তচরদের ‘সেফ জোন’ দিনহাটা? সীমান্ত পেরিয়ে কি দক্ষিণবঙ্গে ছড়াচ্ছে গুপ্তচর নেটওয়ার্ক!

Dinhata spy network
Dinhata spy network

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: কোচবিহারের সীমান্তঘেঁষা দিনহাটা মহকুমা কি পাক গুপ্তচরবৃত্তির ‘সেফ জোন’ হয়ে উঠছে? তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এই এলাকার মাধ্যমেই ওপার থেকে গুপ্তচরবৃত্তি সংক্রান্ত কার্যকলাপ পরিচালনার চেষ্টা হয়েছে। এমনকী দিনহাটা থেকে তৈরি হওয়া নেটওয়ার্ক দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। পাক গুপ্তচর সন্দেহে দিনহাটা থেকে রশিদুল এবং তুফানগঞ্জের বাসিন্দা নূর নাসিরুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের কাছ থেকে উত্তর দিনাজপুরের সফিউলের সূত্র পেয়েছিল এসটিএফ। এবার রশিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মিঠু রহমান ওরফে মিঠু বর্মন নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরপর এই গ্রেপ্তারের পর তদন্তকারীদের হাতে আরও কিছু তথ্য এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের দাবি, দিনহাটা মহকুমার অন্তত তিন বাসিন্দার নামে তোলা সিমকার্ড ব্যবহার করে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট থেকে পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছিল। ওই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন এলাকার গোপন তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়। তদন্তে উঠে এসেছে, মিঠু রহমানের মাধ্যমে প্রায় সাত লক্ষ টাকার জাল নোট দিনহাটার সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢোকানো হয়েছিল বলে সন্দেহ। একের পর এক এমন তথ্য সামনে আসায় এখন প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের কার্যকলাপ চললেও আগে কেন বিষয়টি পুলিশের নজরে এল না? 

যদিও রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী মালতি রাভা রায় বলেন, দীর্ঘদিন দিনহাটাকে জঙ্গির আস্তানা হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। তাদের জন্য সেফ রাখা হয়েছিল ওই স্থানটি। সেখান থেকে জঙ্গি কার্যকলাপ শিলিগুড়ি হয়ে রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ছিল। তবে ক্ষমতায় আসার পর এই ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপ রুখতে রাজ্য সরকার কঠোর হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে আর তাতেই দিনহাটাতে একের পর এক পাক গুপ্তচর গ্রেপ্তার হচ্ছে। এই চক্রের সঙ্গে যারাই যুক্ত থাক না, কেউ কেউ ছাড় পাবে না। 

তবে সিম কার্ড পাচার ও জাল নোট ছড়িয়ে দেওয়ার এই চক্র কি করে চলছিল? তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বাংলাদেশ থেকে মূলত এই চক্রকে মনিটরিং করা হচ্ছিল। আইএসআইয়ের এজেন্ট হিসাবে বাংলাদেশের রংপুরের বাসিন্দা আকবর হোসেন ওরফে সম্রাট ও তার সঙ্গে অমর এই গুপ্তচর বৃত্তির নেটওয়ার্ক পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত। গরু পাচারের একটি বড় চক্র এই আকবরের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়। দিনহাটা থেকে সিম কার্ড পাচার হওয়ার পর সেটা বাংলাদেশের ঢাকায় চলে যেত। সেখান থেকে ইসলামাবাদ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছিল এই সিমকার্ড। সেখান থেকে ওই সিমকার্ডগুলো ব্যবহার করে আইএসআই ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার চোখে ধুলো দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করছিল। এই ঘটনায় যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তারা আকবরের ‘মোহরা’ হিসেবে কার্যত কাজ করছিল। তাদের মাধ্যমে পাকিস্তানের ছাপানো লক্ষ লক্ষ টাকার জাল নোট ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল। 

You might also like!