Breaking News
 
Suvendu Adhikari helicopter diversion: আবহাওয়ার চোখরাঙানি, কালিম্পংয়ে নামল না মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার! অবতরণ উত্তরকন্যায় CM Suvendu Adhikari: ‘গ্রেপ্তার করে লুটের টাকা ফেরত’! জিটিএ দুর্নীতিতে এবার কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর TMC Nandigram election: ‘আসল তৃণমূল’ কে? কমিশনের সিদ্ধান্ত এখনও অধরা, নন্দীগ্রামে ভোট ঘোষণাতেই প্রতীক সংঘাতে দুই শিবির PM Modi Gujarat-Maharashtra Visit: ‘আড়ি আড়ি’ গানে মোদিকে স্বাগত! ভদোদরার মঞ্চে কংগ্রেসকে তুলোধোনা, উন্নয়নের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর Vijay Stalin Gesture Row: ‘ভাঙা চোয়াল’ নিয়ে স্ট্যালিনকে কটাক্ষ! বিধানসভায় বিজয়ের মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক Dilip Ghosh: ‘পাঁঠার মাংস প্রসাদ’! দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে সুর চড়ালেন দিলীপ

 

Life Style News

2 weeks ago

Sex & Relationships: পর্নোগ্রাফির নেশা কি ভাঙছে দাম্পত্যের বন্ধন? জানুন সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মত

Pornography and Marriage
Pornography and Marriage

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  নীলছবি বা পর্নোগ্রাফি দেখা বর্তমানে অনেকের কাছেই নতুন কোনও বিষয় নয়। বিভিন্ন সমীক্ষায় দাবি করা হয়, কর্মব্যস্ততার শেষে বহু প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ-তরুণী অবসর সময়ে পর্নোগ্রাফি দেখেন। কারও ক্ষেত্রে এই অভ্যাস মাঝেমধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, আবার কেউ নিয়মিতভাবেও তা দেখেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখার অভ্যাস ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে দাম্পত্য সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব ও বিচ্ছেদের পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখতে দেখতে অনেকেই পর্দায় দেখানো বিষয়কে বাস্তব জীবনের সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেন। অথচ পর্নোগ্রাফি মূলত নির্মিত ও পরিকল্পিত উপস্থাপনা, যার সঙ্গে বাস্তব সম্পর্কের স্বাভাবিকতার অনেক পার্থক্য রয়েছে। সেই তুলনা থেকে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর কাছে অতিরিক্ত প্রত্যাশা তৈরি হতে পারে। বাস্তব জীবনে সেই প্রত্যাশা পূরণ না হলে যৌনজীবন নিয়ে অসন্তোষ, হতাশা কিংবা মানসিক দূরত্ব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। দাম্পত্য সম্পর্কে পর্নোগ্রাফি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক যুগল বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছন্দে কথা বললেও, কেউ কেউ সঙ্গীর কাছ থেকে নিজের এই অভ্যাস গোপন করেন। দীর্ঘদিন কোনও বিষয় লুকিয়ে রাখলে সম্পর্কে বিশ্বাসের সংকট তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে সঙ্গী যদি পরে বিষয়টি জানতে পারেন, তখন পর্নোগ্রাফি দেখার চেয়েও গোপনীয়তা ও মিথ্যাচারকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের অশান্তি তৈরি হতে পারে। একজন সঙ্গী যদি নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখেন এবং অন্যজন তা পছন্দ না করেন, সেখান থেকেও সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিতে পারে। যিনি পর্নোগ্রাফি দেখেন না, তিনি হয়তো মনে করতে পারেন যে সঙ্গীর অবসর সময়টি তাঁকে দেওয়া উচিত। অন্যদিকে যিনি এই অভ্যাসে অভ্যস্ত, তিনি সেটিকে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ হিসেবে দেখতেই পারেন। দু’জনের দৃষ্টিভঙ্গির এই পার্থক্য নিয়ে আলোচনা না হলে ধীরে ধীরে ক্ষোভ ও দূরত্ব বাড়তে পারে।

অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি দেখার অভ্যাসের সঙ্গে মানসিক সুস্থতার বিষয়টিও জড়িত থাকতে পারে। কিছু গবেষণায় অতিরিক্ত ব্যবহারের সঙ্গে একাকীত্ব, উদ্বেগ, মন খারাপ বা দৈনন্দিন জীবনে আগ্রহ কমে যাওয়ার মতো সমস্যার সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে। তবে পর্নোগ্রাফি দেখলেই যে প্রত্যেকের ক্ষেত্রে এমন সমস্যা হবে, তা বলা যায় না। মূল বিষয় হল—অভ্যাসটি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন, মানসিক স্বস্তি কিংবা সম্পর্ককে কতটা প্রভাবিত করছে।  সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস এবং খোলামেলা যোগাযোগ। পর্নোগ্রাফি নিয়ে দু’জনের মত আলাদা হলে একে অপরকে দোষারোপ না করে নিজেদের অনুভূতি ও প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে দাম্পত্য বা যৌনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, সম্পর্ক তৈরি করতে সময়, বিশ্বাস ও যত্ন লাগে। ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বা গোপনীয়তার কারণে যেন সেই সম্পর্ক নষ্ট না হয়। তাই সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা কথা বলুন, একে অপরের সীমারেখাকে সম্মান করুন এবং বাস্তব সম্পর্ককে পর্দার কল্পিত জগতের সঙ্গে তুলনা না করাই ভালো।


You might also like!