Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

kolkata

6 days ago

Krishak Bandhu: কৃষকবন্ধুর তালিকা নিয়ে দুশ্চিন্তা? যোগ্য উপভোক্তাদের জন্য বড় আশ্বাস কৃষিমন্ত্রীর

Agriculture Minister  Dudh Kumar Mondal on Krishak Bandhu
Agriculture Minister Dudh Kumar Mondal on Krishak Bandhu

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  কৃষকবন্ধু (নতুন) প্রকল্পের তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কার মধ্যেই এল স্বস্তির খবর। কোনও যোগ্য উপভোক্তা যাতে সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করতে প্রকল্পে আবেদনের সময়সীমা আরও ১০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা যাতে কোনও অযোগ্য উপভোক্তার কাছে না পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করতে চলছে উপভোক্তাদের তালিকা যাচাই ও ঝাড়াই-বাছাইয়ের কাজ। যোগ্যদের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অনিয়ম রুখতেই এই যাচাই প্রক্রিয়া চলছে বলে জানানো হয়েছে। 

নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করে কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল জানান, কোনও অযোগ্য ব্যক্তি যাতে টাকা না পান তা দেখা হচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, “যে কোনও কৃষক একটিমাত্র ভাতাই পাবেন। হয় পিএম কিষান, নয় কৃষকবন্ধু (নতুন)। আগের সরকারের আমলে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে ১ কোটি ১ লক্ষ ৯ হাজার ৫৭১ জন কৃষকের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। আমাদের সরকার আসার পর এখনও পর্যন্ত এখনও পর্যন্ত ৩৮ লক্ষ ৫৫ হাজার ২১৩ জন পিএম কিষানের আওতায় রয়েছেন। বাকি কৃষকবন্ধু (নতুন) প্রকল্পের জন্য ৪৭লক্ষ ৭৪ হাজার ৯৫৭টি ফর্ম জমা পড়েছে। তার মধ্যে ৩৯ লক্ষ ৫১ হাজার ১২০টি বৈধ আবেদন। বাকিরা বাদ যাবেন। তবে কেউ যাতে সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত না হন, তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের আবেদন করার সময়সীমা ১০ দিন বাড়ানো হয়েছে।” 

ফলে যাঁরা এখনও এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেননি, তাঁরা অতিরিক্ত সময়ের মধ্যে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। জমির পরিমাণের ভিত্তিতেও আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে বিভাজন রয়েছে। যাঁদের ৪০ শতকের কম জমি রয়েছে, তাঁরা বছরে ৪ হাজার টাকা করে পাবেন। অন্যদিকে, ৪০ শতকের বেশি জমি থাকলে আরও ৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। তবে হিসাব করে দেখা যাচ্ছে, আগের সরকারের আমলে যেখানে এক কোটির বেশি উপভোক্তা ছিল, সেখানে এখনও যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৮০ লক্ষ ছাড়ায়নি। মানে আগের তুলনায় প্রায় ২০ লক্ষ কম কৃষক এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।  

You might also like!