Breaking News
 
West Bengal Budget: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ৪ শতাংশ বাড়ল ডিএ, গঠিত হবে সপ্তম বেতন কমিশন Mamata Banerjee: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী না যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক, কারণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Mamata Banerjee on Suvendu Adhikari: বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ ঘিরে তীব্র বাকযুদ্ধ, অনুপ্রবেশ বনাম ভিনরাজ্যে বাঙালি নিগ্রহ প্রসঙ্গে মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু West Bengal Budget: সংক্ষিপ্ত রাজ্যপাল ভাষণ ঘিরে বিধানসভায় রাজনৈতিক তরজা, ভোট অন অ্যাকাউন্টের দিনেই শাসক-বিরোধী মুখোমুখি WB interim budget 2026: গিগ কর্মীদের জন্য ‘কবচ’ স্বাস্থ্যসাথী! বাজেটে বড় চমক রাজ্যের, বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন হাজার হাজার শ্রমজীবী West Bengal Budget 2026: কেন্দ্র না দিলেও পাশে আছে রাজ্য! ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবে সিলমোহর, বাজেটে শ্রমিকদের জন্য বড় সুখবর

 

kolkata

1 week ago

Madhyamik Exam 2026:SIR-এর প্রভাব মাধ্যমিকে! কমিশনের কাজে নিযুক্ত শিক্ষকদের অব্যাহতির আবেদন পর্ষদের

Madhyamik Exam 2026 and SIR
Madhyamik Exam 2026 and SIR

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ এখনও খানিকটা বাকি। এখনও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরকারি কর্মীরা এই কাজে সদাব্যস্ত। তার মাঝেই শুরু হয়ে যাচ্ছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা। ছাত্রছাত্রীদের কাছে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে মাধ্যমিক। তা যাতে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, বরাবরের মতো এবারও তাতে তৎপর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সেই এসআইআরের কাজ চলাকালীন তা কীভাবে হবে, সেই চিন্তা দানা বেঁধেছে। শুক্রবার পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জেলাশাসকদের চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন, মাধ্যমিকের সময়টায় এসআইআরের কাজে যুক্ত শিক্ষকদের অব্যাহতি দেওয়া হোক, নইলে পরীক্ষকের ঘাটতি হবে।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর হিসেবমতো এসআইআরের শুনানি পর্ব চলবে ৭ তারিখ পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বহু শিক্ষকই বিএলও-র কাজে যুক্ত। শুনানি চলাকালীন তাঁদের উপস্থিত থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে তাঁরা মাধ্যমিকের নির্দিষ্ট সময় পরীক্ষার হলে থাকতে পারবেন না। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ২৬৮২ পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দেবে ১০, ৭৯, ৮৯৭ পরীক্ষার্থী। তাঁদের জন্য অন্তত ১ লক্ষ পরীক্ষক প্রয়োজন। কিন্তু পরীক্ষার্থী, পরীক্ষাকেন্দ্র ও পরীক্ষকের অনুপাত করে দেখা যাচ্ছে, পরীক্ষকের সংখ্যা ঢের কম হচ্ছে শুধুমাত্র তাঁরা এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বলে। চিঠিতে পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন, এই বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

পর্ষদ সভাপতির আরও বক্তব্য, শুধুমাত্র পরীক্ষকের অভাবই নয়, সেন্টার ইনচার্জ বা ভেন্যু সুপারভাইজার পদেও পর্যাপ্ত শিক্ষক প্রয়োজন। তাঁদের অনেকেই এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে জড়িত। তাঁদেরও অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে পর্ষদ। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এবিষয়ে সবরকম সাহায্য করা হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা আছে। তবে ততদিনে এসআইআরের কাজ শেষ হয়ে চূড়ান্ত তালিকাও প্রকাশ হয়ে যাবে। ফলে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পরীক্ষকের অভাব ঘটবে না। চিন্তা বাড়িয়েছে এসআইআর শেষের আগেই মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর বিষয়টি। এখন পর্ষদের আবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন একাজে নিযুক্ত শিক্ষকদের নিয়ে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, সেদিকে নজর সকলের।


You might also like!