Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

kolkata

3 weeks ago

TMC Symbol War: তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ; নির্বাচন কমিশনে বিকল্প নাম জমা উভয় গোষ্ঠীর

TMC Name, Symbol Frozen
TMC Name, Symbol Frozen

 

কলকাতা, ১৮ সেপ্টেম্বর : পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার দুটি আসনে উপনির্বাচনের ঠিক আগে ভারতের নির্বাচন কমিশন 'অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস' নাম এবং তার অফিসিয়াল প্রতীক 'জোড়া ফুল'-এর ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করে তা ফ্রিজ করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনের উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন 'কালীঘাট-তৃণমূল' এবং বিদ্রোহী 'ঋতব্রত-তৃণমূল'— কোনও গোষ্ঠীই মূল দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। কমিশন উভয় পক্ষকে শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে তাদের পছন্দের তিনটি বিকল্প নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল, যা উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট গোষ্ঠী বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইমেলের মাধ্যমে তাদের পছন্দের নাম ও প্রতীকের প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে। তবে কালীঘাট শিবির কোন কোন নাম ও প্রতীক নির্বাচন করেছে, তা নিয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে এবং নাম প্রকাশ করা হয়নি।

অন্যদিকে, বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী শুক্রবার সকালে তাদের জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠক ডেকে বিকল্পগুলি নিয়ে আলোচনা করেছে। সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবির তাদের প্রস্তাবিত নতুন নামে 'তৃণমূল' শব্দটি বজায় রাখার পক্ষে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে কমিশনকে দুটি বিকল্প জমা দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে প্রথম নাম 'জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস' এবং দ্বিতীয় নাম 'গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস'। উল্লেখ্য, এই ঘটনার পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে যে, কমিশন উভয় পক্ষকে কোন নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ের অনুমতি দেয়।

You might also like!