Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

kolkata

4 weeks ago

Samik on Bageshwar Baba: ‘নবমীতে বাঙালি পাঁঠার মাংস খাবেই’! বাগেশ্বর বাবার আমিষ-নিদানে পালটা শমীকের

Shamik Bhattacharya hits back over Bageshwar Baba
Shamik Bhattacharya hits back over Bageshwar Baba

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  দুর্গাপুজোর আগে বাংলায় পা রেখেই ফের আমিষ বিতর্কে ইন্ধন জোগালেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবা। নিজের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খাবার নিয়ে আপত্তি জানান। তাঁর দাবি, পুজোর সময় যাঁরা আমিষ খাবার খান, তাঁরা ‘পাখণ্ডী’। একইসঙ্গে পুজোর দিনগুলিতে আমিষ খাবার থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দেন তিনি। ধর্মগুরুর এই মন্তব্য ঘিরেই পুজোর মুখে নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। তবে তাঁর এই পরামর্শকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বাইরে থেকে আসা কোনও সাধুর পরামর্শে বাঙালির সংস্কৃতি বা খাদ্যাভ্যাস বদলে যাবে না। ফলে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন বিতর্ক দানা বেঁধেছে, অন্যদিকে বিজেপির তরফেও এসেছে স্পষ্ট অবস্থান। 

বাগেশ্বর বাবার মন্ত্যব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শমীকের বক্তব্য, “বাঙালি যা খাচ্ছে, তাই খাবে। বাঙালি হয়ে মাছ খাবে না? মাংস খাবে না? আপনি আপনার বাড়িতে কী খাবেন, সেটা কোনও সাধু নির্ধারিত করে দেবে? কোনও রাজনৈতিক দল ঠিক করে দেবে?” তাঁর কথায়, “কাউকে নিরামিষাষী হওয়ার উপদেশ দেওয়ার মধ্যে কোনও অন্যায় নেই, পাপ নেই। এখন তো নিরামিষ ভোজনের জন্য রীতিমতো প্রচার চলছে। শুধু বিজেপি কেন? স্বামী বিবেকানন্দ বলে গিয়েছেন, তাঁর উপরে কে আছে? মা কালী এখানে পাঁঠা খাবে। এখনও পর্যন্ত বিবেকানন্দের উপরে কেউ উঠতে পারেননি। যদি হঠাৎ কেউ তাঁর উপরে উঠতে চাল, তাহলে তা বিপজ্জনক।” 

পুজোর আমিষ খাওয়ার নিদানে শমীকের সাফ বার্তা, “বাঙালি অষ্টমীতে লুচি আর নবমীর দিন কচি পাঁঠার মাংস খাবে। এটাই বাঙালির রীতি। আর তা বাঙালি পালন করবেই।” তাঁর দাবি, কোনও চিকিৎসক পরামর্শ দিতেই পারেন। সন্তদের এই উপদেশ দেওয়ার অধিকার থাকতে পারে, কিন্তু বাংলায় বসে কে কী খাবে, কে কী পরবে, তা বাইরে থেকে এসে কেউ ঠিক করে দেবে না। বাগেশ্বর বাবা অরফে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই শমীক জানান, স্বামী বিবেকানন্দের উপরে অন্য কোনও মত চাপিয়ে দেওয়া যায় না। সাধারণ আমিষ ভোজীদের ‘পাখাণ্ডী’ বলায় বিজেপি রাজ্য সভাপতির স্পষ্ট বার্তা, উনি যা বলেছেন, তা নিয়ে বিতর্কের কোনও প্রয়োজন নেই। বাঙালি যা খাওয়ার, তাই খাবেন। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও।



You might also like!