Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

kolkata

2 weeks ago

Amid TMC Symbol Row: ‘জোড়াফুল’ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা! কংগ্রেসের পথে তৃণমূলের টিকিটবঞ্চিত ‘তৃতীয় পক্ষ’?

Mamata Banerjee  and Ritabrata Banerjee
Mamata Banerjee and Ritabrata Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  জোড়াফুল প্রতীক শেষ পর্যন্ত কোন তৃণমূল শিবিরের হাতে থাকবে, তার উপরই অনেকটা নির্ভর করছে টিকিট না পাওয়া প্রাক্তন বিধায়ক এবং জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন পদাধিকারীদের পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এঁরা এখনও পর্যন্ত কোনও শিবিরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হননি। ফলে তৃণমূলের এই ‘তৃতীয় পক্ষ’-এর নজর এখন প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই। এরই মধ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বিভিন্ন জেলার একাধিক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। তাঁদের কয়েকজন ইতিমধ্যেই শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে দেখা করে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই নেতাদের মধ্যে কেউ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিট পাননি, আবার কেউ দলীয় প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়লেও বিজেপির কাছে পরাজিত হয়েছেন। ফলে প্রতীক নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনের মধ্যেই এই নেতাদের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ ঘিরেও বাড়ছে জল্পনা। 

যাঁরা প্রদেশ সভাপতির সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁরা অধিকাংশই বৃহস্পতিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘জোড়াফুল প্রতীক ও দলের নাম যদি ঋতব্রত শিবিরের হাতে চলে যায় তবে আমরা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুজোর আগে বা পরে সটান প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে চলে যাব।’ একান্ত আলাপচারিতায় এদিন স্বয়ং প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্করও স্বীকার করেছেন, বর্তমান বিধায়কদের পাশাপাশি বহু প্রাত্তন বিধায়কও দেখা করেছেন। জোড়াফুল প্রতীক কোন পক্ষ পাচ্ছে তার উপর যেমন কালীঘাট আর বিদ্রোহী ‘আসল তৃণমূল’ শিবিরের ভাগ্য নির্ভর করছে, তেমনই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে তৃতীয় পক্ষও। তারা তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কদের একটা অংশ। এরা আপাতত কোনও শিবিরেই যাচ্ছেন না। 

কালীঘাট বা ঋতব্রত, কোনও মিটিংয়েই অংশ নিচ্ছেন না এই প্রাক্তন বিধায়ক ও জেলায় জেলায় তৃণমূলের প্রাক্তন নানা পদাধিকারীরাও। প্রাক্তন বিধায়কদের অনেকেই জানিয়েছেন, কালীঘাটে জোড়াফুল না থাকলে পুরোনো তৃণমূল কংগ্রেসটা আরও ভাঙবে। আর এর ধাক্কায় ফসল পৌঁছবে বিরোধী দলের ঘরে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কথা বলে জেলায় জেলায় বিক্ষিপ্ত কর্মীদের একজোট করে কংগ্রেসের ঘরে নিয়ে আসার দায়িত্ব এবং নিজে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সূচিও চূড়ান্ত করে রেখেছেন বেশ কিছু প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। সেক্ষেত্রে একটি পৃথক মঞ্চ বা কমিটি করে একসঙ্গে সেই মঞ্চকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে পারেন তাঁরা। ইতিমধ্যে শুভঙ্করের হাত ধরে বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ডাঃ সপ্তর্ষি বন্দ্যেপাধ্যায় সদলবলে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

You might also like!