Entertainment

3 weeks ago

Vande Mataram row: ‘নাতির নাম তৈমুর, বন্দে মাতরম নিয়ে কথা বলা শোভা পায় না’! শর্মিলাকে তোপ শমীকের

Shamik Bhattacharya launched a scathing attack on Sharmila Tagore
Shamik Bhattacharya launched a scathing attack on Sharmila Tagore

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বন্দে মাতরম নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। কংগ্রেস যেখানে ঐতিহাসিকভাবে প্রচলিত প্রথম দুই স্তবক গাওয়ার পক্ষে, সেখানে বিজেপির দাবি, শুধু দুটি স্তবক নয়, সম্পূর্ণ গানই গাওয়া উচিত। এ নিয়ে কেন্দ্রের তরফে নতুন আইন আনার কথাও সামনে এসেছে। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন প্রবীণ অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ধর্মনিরপেক্ষ দেশে সব ধর্মের মানুষের পক্ষে পুরো ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। এবার সেই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে শর্মিলা ঠাকুরকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 

বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে সম্প্রতি প্রবীণ অভিনেত্রী বলেন, “আমার মনে হয়, এমন অনেক ধর্মবিশ্বাসী মানুষ আছেন এদেশে, যাঁরা বহু দেবদেবীতে বিশ্বাস করেন না। তাঁরা এক ও অদ্বিতীয় ঈশ্বরে বিশ্বাসী। ‘বন্দে কালী’ ‘বন্দে দুর্গা’— এমন পংক্তিগুলির জন্য কিছু কিছু ধর্মের মানুষের কাছে এই গান গ্রহণ করা কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে।” সেকারণেই শর্মিলা মনে করেন, এই গানের প্রথম দু’টি স্তবক যেগুলিতে মূলত মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে, সেটুকুই বৃহত্তর পরিসরে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। আর এহেন মন্তব্যেই বিতর্ক উসকে গিয়েছে। বিজেপির বিরোধিতা করায় প্রবীণ অভিনেত্রীকে ‘হিন্দু-মুসলিম মানসিকতার ঊর্ধ্বে উঠে’ আসার পাঠ দিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত। এবার সংশ্লিষ্ট বিতর্কযজ্ঞে ঘৃতাহূতি করল শমীক ভট্টচার্যের এক মন্তব্য। 

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “শর্মিলা ঠাকুর ওনার ব্যক্তিগত মতামত পেশ করতেই পারেন। কিন্তু শর্মিলা ঠাকুরকেও ভারতীয় জনতা মনে করাতে চায় যে, যে তৈমুর ভারতে আক্রমণ চালিয়ে মন্দির ধ্বংস করেছে, এই দেশের মানুষকে জবাই করেছে, এবং বলপূর্বক মানুষকে ধর্মান্তরিতকরণ করেছে, ধর্ষণ করেছে, যে অত্যাচার ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে, সেই একই নাম ওঁর বাড়িতেও রয়েছে। নাতির নামকরণ করেছেন তৈমুর আলি খান। এইজন্য উনি বন্দেমাতরম নিয়ে যত কম কথা বলবেন তত মঙ্গল।” 

প্রসঙ্গত, সইফ-করিনার সন্তানের জন্মলগ্ন থেকেই নামবিতর্ক। তৈমুর আলি খান নামকরণ করায় নবাব পরিবারকে কম কটাক্ষের শিকার হতে হয়নি। এমনকী দুধের শিশুর মৃত্যুকামনা পর্যন্ত করেছিলেন ধর্মধ্বজাধারীরা! করিনা হিন্দু পরিবারের হয়েও কেন ইসলাম ধর্মাবলম্বী নাম রাখলেন? এমন প্রশ্নও উড়ে এসেছে বহুবার। কিন্তু বেবোর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ‘তৈমুর শব্দের অর্থ লোহা’। নায়িকা চেয়েছিলেন, ছেলে ভবিষ্যতে লৌহমানবের মতো তৈরি হোক। সেকারণেই সাধ করে তৈমুর আলি খান নাম রেখেছেন বড়ছেলের। গত নয় বছরে যে বিতর্ক ফলায় একাধিকবার বিদ্ধ হতে হয়েছে সইফ-করিনাকে। এবার বন্দে মাতরম ইস্যুতে মুখ খোলায় শর্মিলা ঠাকুরকে সেকথাই মনে করিয়ে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য। 

You might also like!